বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
বরগুনায় নদীর তীরে ভেসে এল ৩২ ফুট লম্বা তিমির মৃতদেহ কোচিং বন্ধ, স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ; কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু, সভাপতিত্ব করছেন খলিলুর রহমান সরকারও আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, তাই অনুসন্ধান: দুদক সচিব হোসেনপুরে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নে সমবায় বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নওগাঁর পত্নীতলায় বাণিজ্য মেলায় লটারির ড্র না হওয়ায় ভাংচুর-লুটপাট কওমি মাদরাসায় মানসম্মত পাঠদান, তাড়াইলে শিক্ষকদের নিয়ে কর্মশালা কনসার্টে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার ডেঙ্গুতে এ বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড

নিকলীতে ১১ বছর ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৫১ বার পড়া হয়েছে

দিলীপ কুমার সাহা :

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট থাকায় প্রায় এগার বছর ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে করে হাওর বেষ্টিত নিকলী উপজেলার প্রসূতিরা কম খরচে সরকারি চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যালয় সূত্র জানায়, অবেদনবিদ ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রসূতি শল্যচিকিৎসক ডাঃ সেলিনা হক ২০০৮ সালে ডিসেম্বর মাসে দুই জনই বদলী হয়ে চলে যাওয়ার পর থেকেই এ পদ শূন্য । তখন থেকেই সেখানে প্রসূতি দের অস্ত্রোপচার বন্ধ। ইউ,সি নতুন ভবনটি চালু হয় ২০০৮ সালে একই বছর ১০ আগষ্ট থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত ৫টি প্রসূতি অস্ত্রোপচার করা হয়। এর পর থেকে অস্ত্রোপচার বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে লাখ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি অযতেœ পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। উপজেলা কারপাশা ইউনিয়নের শহরমুল গ্রামের ইন্নছ মিয়া জানান, গত শুক্রবার (৮ফেব্রুয়ারি) আমার স্ত্রীর সিজারের জন্য নিকলী স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে আসি। ডাক্তার না থাকায় সিজার করাতে পারি নাই। পরে কিশোরগঞ্জ প্রাইভেট হাসপাতাল মেডিল্যাবে প্রায় ২৫ হাজার খরচ করে সিজার করা হয়েছে। আমার টাকা ও সময় দুইটায় অপচয় হয়েছে। আসা যাওয়ার ঝুঁকি এবং র্দুভোগ ও ছিল অনেক না প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান, প্রসূতি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এ উপজেলা থেকে প্রতি বছর প্রায় পাঁচশতাধিক রোগীকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল, ময়মসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়। সিজার করার জন্য। নিকলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার জানান, ১১ বছর ধরে এখানে ডাক্তারের অভাবে প্রসুতি অস্ত্রোপচার হয়না, এটা দুঃখজনক। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচও) আস আদ দীন মাহমুদ বলেন, অবেদনবিধ এবং প্রসূতি সার্জন, লোকবল সংকট ও যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায়, শূন্য পদে লোক চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কয়েক বার লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। এ দুই পদে চিকিৎসক,লোকবল ও যন্ত্রপাতি সচল হলেই অস্ত্রোপচার শুরু হবে। এ ছাড়াও প্রতিটি হাসপাতালে একটি ব্লাড ব্যাংক থাকার দরকার। আর এক্স-রে মেশিনটিও নষ্ট আট বছর ধরে। এটি মেরামতের জন্য কয়েক দফা কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে কাজ হয়নি। নতুন মেশিন চেয়েও পাওয়া যাছেনা।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com