মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দেশে চালু ১৯ কোটি ১০ লাখ সিম, জানালেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু নিউ মেক্সিকোর নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ চান ট্রাম্প, নাকচ গভর্নরের অটোরিকশা চার্জে বছরে রাজস্ব ক্ষতি ৪ হাজার কোটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাকুন্দিয়ার মিলনের মৃত্যু তাড়াইলের ১২ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় তাড়াইল হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত  টানা তিন হার বাংলাদেশের, এবার বড় লজ্জা দিল ভারত হানাহানি এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘মৃত্যুর আগে ছেলেকে একবার দেখে যেতে চাই’

ব্যারিস্টার সুমন যে কষ্টের কথা আজও ভুলতে পারেন না

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯
  • ৫৫৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তাকে চেনেন না এমন মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব কমই পাওয়া যাবে। তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর।

এ পরিচয় ছাড়াও তিনি এখন মানবতার বন্ধু হিসেবেই পরিচিত। মানুষের চারপাশের সমস্যা ও বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে অনলাইন জগতে প্রতিনিয়ত ঝড় তুলছেন তিনি।

লন্ডনে পড়াশুনা করা আজকের এই সুমনের সফলতার পেছনে আছে এক কষ্টের কাহিনী। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানালেন সেই কথা।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ইংল্যান্ডের লাইফটা ছিল খুবই কঠিন। ইংল্যান্ডে আমার যে আত্মীয় স্বজন, আমি সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পর তারা কেউ আমার পাশে ছিল না। যার কারণে বাস্তবতার মুখোমুখি হই।

তিনি বলেন, কোন উপায় না পেয়ে আমি ট্রলিম্যানের হিসেবে কাজ শুরু করি। আমাদের দেশে যাদেরকে আমরা কুলি বলি। সেই কুলির কাজও করেছি- এটা সবসময় স্বীকার করি। আবার ড্রাইভারি করতাম। এসব কাজ করে কিছু টাকা জমাই। ২০০৮ সালে বার অ্যাট ল করতে শুরু করি।

লন্ডনে থাকা অবস্থায় সবচেয়ে দুঃখের কথা শেয়ার করতে গিয়ে সুমন বলেন, বার অ্যাট ল শুরু করার ১৭ দিনের মাথায় আমার বাবা মারা যান বাংলাদেশে। কিন্তু তখন আমার পকেটে কোন টাকাই ছিল না যে, বাবার লাশ দেখতে আসবো। টাকার অভাবে বাবার জানাজায় আসতে পারিনি, বাবার লাশ দাফন করতে পারিনি। শেষবারের মত বাবার মুখটা দেখতে পারিনি শুধু টাকার অভাবে। সেই কষ্টের কথা ভুলতে পারি না।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com