সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কিশোরগঞ্জের সাবেক কাউন্সিলরকে কুপিয়ে হত্যা রাজশাহীতে সারের জন্য হয়রানি, বদলি ডিডি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ডার্ক ওয়েবে বাংলাদেশিদের ৬০ লাখ সিভি বিক্রি বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ চেয়েছে ভারত বেলাবোতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা এহসান উল্লাহ পিয়াল গ্রেপ্তার কুলিয়ারচরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু, ঘিরে রহস্য নওগাঁয় জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন  নওগাঁর বদলগাছীতে পাওনা টাকা থেকে বাঁচতে যুবকের অপহরণের নাটক, জেলে পাওনাদার পিপলাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

অবশেষে ২২ জানুয়ারি থেকে চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৭৫৮ বার পড়া হয়েছে

আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট (ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট) বিতরণ শুরু হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের (ডিআইপি) মহাপরিচালক (ডিআইজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ আজ রবিবার বলেন, আমরা আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ উদ্বোধন করতে কাজ করছি।

তিনি জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি এ বিষয়ে নগরীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সকাল ১০ টায় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করবেন বলে তিনি আশা করছেন।

শাকিল আহমেদ বলেন, ডিআইপি প্রাথমিক ভাবে আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ি এবং উত্তরা পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরন করা হবে এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সবর্ত্র ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, বিখ্যাত জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইস দেশে ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট নিয়ে কাজ করছে। তিনি আরো জানান, ই-পাসপোর্টের সূচনা দিয়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া তৈরি করার প্রক্রিয়া চলছে।

ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেন (আইসিএও)’র মতে বিশ্বের একশ’টিরও বেশি দেশ বর্তমানে ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। পাসপোর্ট বুকলেটে একটি ইলেক্ট্রনিক চীপ ব্যবহারের মাধ্যমে চিরাচরিত ননইলেক্ট্রনিক পাসপোর্টের চেয়ে ইলেক্ট্রনিক পাস পোর্ট অধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এতে পাসপোর্টের দুটি পেজে দৃশ্যমান বায়োগ্রাফিকেল তথ্য ভান্ডার ও একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা ফিচার থাকে। ডিজিটাল ফিচার হচ্ছে কোন দেশের সুনিদিষ্ট ডিজিটাল স্বাক্ষর। এই ডিজিটাল স্বাক্ষরগুলো প্রতিটি দেশে একক এবং স্ব স্ব সার্টিফিকেটের মাধ্যমে এটি যাচাই করা যাবে।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, “বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু এবং অটোমেটিক বর্ডার কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট” প্রজেক্টটি ৪,৫৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকারের নিজস্ব তহবিলে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুন পযর্ন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। দশ বছরে মোট ৩০ মিলিয়ন পাস পোর্ট সরবরাহ করা হবে। এই ই-পাসপোর্ট ইস্যু করার মাধ্যমে ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতার সমস্ত প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন হবে।

দুই মিলিয়ন পাস পোর্ট তৈরি হবে জামার্নীতে। ফলে যারা আগে আবেদন করবেন, তারা জামার্নীর তৈরি পাস পোর্ট পাবেন। ই-পাস পোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর।

মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাশাপাশি ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্টের জন্য ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই ডিআইপি এবং ভেরিডসের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com