বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।

করোনাভাইরাস: যুক্তরাষ্ট্রে বেহাল চিকিৎসা ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২০
  • ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় আড়াই কোটি মানুষের স্বাস্থ্যবিমা নেই৷ টেক্সাসের বাসিন্দা আমান্ডা (ছদ্ম নাম) তাদের একজন, যিনি ম্যাট্রেস তৈরির কারখানায় কাজ করেন৷ বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস যেভাবে ছড়িয়েছে তাতে চরম উদ্বেগে দিন কাটছে তার৷-ডয়চে ভেলে।

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদকের কাছে তিনি বলেন, ‘‘খুবই দুঃখের সঙ্গে বলছি, এটা আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত নয়৷ আমাদের প্রতিনিয়ত এমন অনেক অনিশ্চিত পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হয়, এটা তার একটা মাত্র৷ আমার বাড়িতে থাকার উপায় নেই, এমনকি ডাক্তারের খরচ যোগানও আমার পক্ষে সম্ভব না৷”

আমান্ডার মত কর্মীরা বছরে মাত্র তিনদিন অসুস্থতার ছুটি পান৷ তারমধ্যে দুইদিন বেতনসহ৷ একবার ডাক্তার দেখালে তাদের কয়েকশ ডলার বিল হয়৷ এরকম একজন ওহায়োর বাসিন্দা শেলডন রিডল৷ ১০ বছর আগে সাধারণ ফ্লু থেকে তার নিউমনিয়া হয়ে গেলও অর্থের অভাবে ডাক্তারের কাছে যেতে পারেননি৷ অনেক দিন আগের কথা হলেও ভয়ঙ্কর সেই দিনগুলো কথা তিনি ভুলতে পারেন না৷

তিনি একটি কলসেন্টারে কাজ করেন৷ যেখানে প্রায় ৫০ জন কর্মী ছোট্ট একটি কক্ষে গাদাগাদি করে বাস করেন৷ সেখানে ‘অসুস্থাজনিত ছুটি ‘নেই৷ চিকিৎসাপত্র ছাড়া অসুস্থ হলেও কেউ কাজে না যাওয়ার অনুমতি পান না৷ তিনি বলেন, ‘‘যেহেতু আমাদের স্বাস্থ্যবিমা নেই, তাই অসুস্থ হলে শত শত ডলার খরচ করে আমরা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিতে পারি না৷ এটা আমাদের সাধ্যের বাইরে৷’‘

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাস যেভাবে বিস্তার করছে তাতে নিজেকে নিয়ে নিদারুণ উদ্বেগে আছেন বলে জানান তিনি৷ বলেন, ‘‘আমার হৃদরোগ আছে৷ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল৷

আমি গাড়িতে বসে পুরাতন চিকিৎসাপত্র দিয়ে কিছু ওষুধ কিনেছি৷ আমাকে এখনো খাবার কিনতে যেতে হবে৷ সেটাও গাড়ি থেকেই কিনব৷ আমি এখন দিনে একবেলা খাচ্ছি৷”

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমের অঙ্গরাজ্য অরেগনের একটি ক্লিনিকের একজন নার্স নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডয়চে ভেলেকে বলেন, তাদের ক্লিনিকে গত বুধবার থেকে (১১ মার্চ) প্রথম করোনা ভাইরাস টেস্ট করা সম্ভব হচ্ছে৷ তার আগে টেস্ট করার ব্যবস্থা ছিল না৷ টেস্ট শুরু পর থেকেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রকম পাল্টে গেছে৷

‘‘বৃহস্পতিবার চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা ছিল৷ কিভাবে সব চলবে বা কিভাবে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেটাই বোঝা যাচ্ছিল না৷”

যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ১৬৭৮ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন, মারা গেছেন ৪১ জন৷

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com