কিশোরগঞ্জে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৬ এপ্রিল করিমগঞ্জে মারা যাওয়া প্রথম ব্যক্তির মা, স্ত্রী ও ভাই এ তিনজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া জেলার হোসেনপুরে আরো একজনের শরীরে করো শনাক্ত হয়েছে। আজ শনাক্ত নতুন চারজনসহ জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়াল ১১ জন।
জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মুজিবুর রহমান বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, আজ দুপুরে ঢাকা থেকে ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ (আইপিএইচ) এর ল্যাবরেটরী থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনে এ চারজনের শরীরে করোনা শনাক্তের বিষয়টি জানান হয়েছে।
সিভিল সার্জনের দেয়া তথ্য মতে গত ৬ এপ্রিল করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের মুসলিমপাড়া গ্রামে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম ব্যক্তিটি মারা যান। পরে ৮ এপ্রিল আইপিএইচ এর ল্যাবরেটরী থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত হয়। গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আইপিএইচ এর প্রতিবেদনে জেলায় ৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্তের বিষটি জানান হয়।
৬ জনের মধ্যে রয়েছেন কিশোরগঞ্জ শহরের আলোরমেলা এলাকার একজন চিকিৎসক ও বত্রিশ এলাকার একজন নারী স্বাস্থ্যকর্মী, ভৈরব থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই), ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের একজন নারী ও ইটনা সদর ইউনিয়নের সাবেক এক ইউপি সদস্য এবং পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দী চরপাড়া এলাকার এক ব্যক্তি।
৬ এপ্রিল আক্রান্ত প্রথম মারা যাওয়া করিমগঞ্জ উপজেলার জঙ্গলবাড়ি মুসলিমপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া (৪৬) রাজধানী ঢাকায় একটি মুদি দোকান চালাতেন।
আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় গতকাল যানবাহন ও মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রনসহ সর্বক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে গণ বিজ্ঞপ্তি জারী করেন জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী।
জেলা প্রশাসকের গণ বিজ্ঞপ্তিতে যানবাহন ও মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রনে
এক জেলা ও সকল উপজেলার প্রবেশ পথ বন্ধ করে এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় মানুষের চলাচল নিষিদ্ধসহ শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।