সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
স্বাস্থ্য খাতে ‘রেফারেল ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জুবাইদার নিরাপত্তা পরিষদ অচল, তবু জীবনীশক্তিতে পূর্ণ জাতিসংঘ: গুতেরেস রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, অর্ধেকে নেমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আসিফের বিরুদ্ধে, অনুসন্ধানে দুদক এনসিপির প্রার্থী উত্তরে আসিফ মাহমুদ ও দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গোবিন্দপুর ইউপি নির্বাচন: হিমেলের সমর্থনে মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল পাকুন্দিয়ায় ছোট ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে বড় ভাই আটক কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আলোচনা সভা শিগগিরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ, তেলের দামও কমবে: ট্রাম্প কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে ধনিয়াপাতা সংগ্রহের সময় বজ্রপাতে শ্রমিক নিহত, আহত ১

সাতক্ষীরায় প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে ৫০ হাজার লিটার দুধ

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪১৯ বার পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চিয়তায় পড়েছেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার দুগ্ধ খামারিরা। ক্রেতা না পাওয়ায় প্রতিদিন সেখানে নষ্ট হচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার লিটার দুধ।

উপজেলার জিয়ালা নলতা গ্রাম দুধপল্লী হিসেবে বহু আগে থেকেই পরিচিত থাকলেও বর্তমানে আয় না থাকায় গোখাদ্য কিনতেও হিমশিম খাচ্ছেন সেখানকার খামামিরা। এ গ্রামে প্রায় চার শতাধিক দুগ্ধ খামার রয়েছে। তাদের দেখাদেখি আঠারই গ্রামসহ আশপাশে আরও অর্ধ শতাধিক দুগ্ধ খামার গড়ে উঠেছে। এসব খামার থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এখানকার খামারগুলো থেকে মিল্কভিটা প্রতিদিন ৮ হাজার লিটার এবং আকিজ ৬০০ লিটার দুধ সংগ্রহ করত। বাকি দুধ সাতক্ষীরা ও খুলনার বিভিন্ন এলাকার মিষ্টির দোকান ও কারখানায় সরবরাহ করতেন খামারিরা। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে হঠাৎ করে মিষ্টির দোকান ও অন্যান্য কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুগ্ধ খামারিরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

তালা উপজেলার দুগ্ধ উৎপাদন সমিতির সভাপতি দিবস চন্দ্র ঘোষ জানান, এভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার দুধ বিক্রয়ের অভাবে নষ্ট হয়ে গেলে বেশিরভাগ খামারিকেই পথে বসতে হবে।

চলমান এ মহামারিতে দেশের সরকার প্রধান বিভিন্ন খাতেই আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। এ ঘোষণা অনুযায়ী এখন সরকারি আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন দুগ্ধ খামারিরা।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, খামারিদের সমস্যার বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিশু খাদ্যের জন্য এ জেলায় যে বরাদ্দ দিয়েছেন সেই বরাদ্দের মাধ্যমে দুধ ক্রয়ের একটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মিল্কভিটার মাধ্যমে এ দুধ নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, মিল্কভিটার চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করা হয়েছে- শিশু খাদ্যের জন্য যে দুধ প্রয়োজন তা যেন সাতক্ষীরা জেলা থেকে নেয়া হয়। এছাড়া দুধ যাতে নষ্ট না হয় সে জন্য মিষ্টির দোকানগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দুধ ক্রয়-বিক্রয় করবেন বলে জানান তিনি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com