সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের তামাই (খন্দকার পাড়া)গ্রামের অনন্যা ড্রাগ হাউজ থেকে গাজী খন্দকার ফজলুল হক ভাষানীর বাড়ি পর্যন্ত নির্মাণাধীন রাস্তার কাজ তদন্ত করেছে বেলকুচি উপজেলা প্রশাসন।
আজ ৯ ই সেপ্টেম্বর, বুধবার বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের তামাই গ্রামে নির্মাণাধীন রাস্তার জরিপ ও তদন্ত করেন বেলকুচি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম রবিন শীষ।
উল্লেখ্য গত ৩১ আগষ্ট নিউজ জি সহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও ৩রা সেপ্টেম্বর জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজে “বেলকুচিতে এলাকা বাসীর ক্ষোভ সরকারি টাকায় পারিবারিক রাস্তা নির্মানের অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান গাজী খন্দকার ফজলুল হক ভাষানী অত্যন্ত সুস্পষ্ট ভাবে অভিযোগ প্রত্যাখান করেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের মামলা করার হুশিয়ারি দেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বেলকুচি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম রবিন শীষ জানান,গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের দরুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান বিষয়টি আমলে নিয়ে আমাকে তদন্ত ভার দেন । সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযুক্ত ভূমির আংশিক যায়গা চেয়ারম্যান গাজী খন্দকার ফজলুল হক ভাষানী রাস্তা নির্মানের অধীনে নেওয়ার প্রমানিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক ভাবে তা ভেঙে দেয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয় ।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান জনসম্মুখে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং যার জমিতে অবৈধ ভাবে রাস্তা নির্মানে ব্যবহার করা হয়েছে তাঁর কাছ থেকে আংশিক জমি জনগণের চলাচলের রাস্তার জন্য ভিক্ষা চেয়ে নেন। পরে জমির মালিক রাস্তা নির্মানের জন্য তাঁর জমির কিছু অংশ মৌখিক ভাবে ছেড়ে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্যাটেলাইট টিভি এনটিভির জেলা প্রতিনিধি মোঃ শরিফুল ইসলাম ইন্না, দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি মোঃ শিশির আহম্মেদ, আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি সাধন কুমার দাস ,নিউজ জি এর জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক ভোরের কাগজের বেলকুচি প্রতিনিধি খন্দকার মোহাম্মদ আলী এবং কামারখন্দ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন মন্ডল প্রমুখ।