মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৭২ জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান পুলিশের পদক্ষেপ দেখে গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত: স্পিকার কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পাকুন্দিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের তিন মাসের কারাদণ্ড নওগাঁর বদলগাছীতে জমি নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণহানি, হত্যা মামলায় আসামি সাংবাদিক কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী করগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে কয়েক লাখ টাকা নিয়ে উধাও কথিত এনজিও চক্র কিশোরগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের ম্যৃতু খুলনায় যুবক গুলিবিদ্ধ

ডাচ-বাংলার এটিএম বুথ থেকে আড়াই কোটি টাকা লুট

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
ডাচ-বাংলার এটিএম বুথ থেকে আড়াই কোটি টাকা লুট

নারায়ণগঞ্জে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে ২ কোটি ৫৭ লাখ ১ হাজার টাকা লুট হয়েছে বলে জানা গেছে। জালিয়াতির মাধ্যমে এসব লুটের সঙ্গে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ঢাকার এডিসি ডিভিশনের সিনিয়র অফিসার মীর মো. শাহারুজ্জামান ওরফে রনির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেয় অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

হাফিজ আক্তার বলেন, ২০১০ সাল থেকে শাহারুজ্জামান ডাচ-বাংলা ব্যাংকে কর্মরত অবস্থায় অর্থ আত্মসাৎ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে আত্মগোপনে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই চক্র ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অনুমোদিত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ এলাকার বহুল শ্রমিক-সংবলিত প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলায়। এরপর তাদের অ্যাকাউন্টের বিপরীতে এটিএম কার্ড সংগ্রহ করে। কার্ডগুলো সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে না দিয়ে চক্রের সদস্যরা নিজেদের কাছে রেখে দিতেন। পরে ওই কার্ডের অ্যাকাউন্টে নিজেরা ১০-২০ হাজার টাকা জমা রাখতেন। কিছুদিন পর এটিএম বুথ থেকে তারা টাকা উত্তোলন করতে যেতেন।

তিনি আরও বলেন, টাকা উত্তোলনের ১-২ মিনিট আগে শাহারুজ্জামানকে ফোন করে এটিএমের তথ্য জানাতেন। এরপর শাহারুজ্জামান সেন্ট্রাল মনিটরিং সার্ভার থেকে ওই এটিএমের যোগাযোগ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দিতেন। ওই সময় কার্ড ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করা হলেও তা ব্যাংকের সেন্ট্রাল সার্ভারে উত্তোলন হয়নি বলে দেখাতো। টাকা উত্তোলন হয়নি এমন পরিবর্তিত জার্নাল তৈরি করতেন শাহারুজ্জামান। গ্রাহকের আড়ালে থাকা চক্রের সদস্যরা এটিএম থেকে টাকা উত্তোলনের পরও ব্যাংকের কাছে টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করতেন।

অভিযোগে বলতেন, অ্যাকাউন্ট থেকে তার টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে, অথচ তিনি টাকা পাননি। এই অভিযোগের পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সেন্ট্রাল মনিটরিং সার্ভারে জার্নাল চেক করে টাকা উত্তোলন না হওয়ার তথ্য দেখে ওই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করে দেয়। এভাবে চক্রের সদস্যরা বারবার এটিএম থেকে টাকা উত্তোলন করে নিতেন। পুরো প্রক্রিয়ায় অপরাধ আড়াল করে ঘটনা বিশ্বাসযোগ্য করতে তারা বিশেষ কৌশলের আশ্রয় নিতেন। পরবর্তী সময়ে ব্যাংকের অডিটে গিয়ে জালিয়াতির চিত্রটি দীর্ঘদিন পরে ধরা পড়ে। ২০১০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে গত বছর ৮ নভেম্বর পর্যন্ত এসব টাকা লুটের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় চলতি বছর ৮ এপ্রিল রাজধানীর মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com