কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দেওয়া নির্দেশকে অমান্য করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ থেকে দুইজন কে অব্যাহতি প্রদান করেছে বলে জানা গেছে। একজন হলেন কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গভেষণা সম্পাদক আবু নাসের মোহাম্মদ ফারুক সনজু অ্যাডভোকেট। অপর জন হলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য শহিদুল ইসলাম হুমায়ুন অ্যাডভোকেট।
.
কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ আফজল স্বাক্ষরিত দুটি আলাদা আলাদা পত্রের মাধ্যমে তাদেরকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। পত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, পাকুন্দিয়া উপজেলার আহব্বায়ক এ এফ এম ওবায়দুল্লাহ অ্যাডভোকেট আহব্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করায় পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ কমিটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সাংগঠনিক কাঠামো শুন্যতায় পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলন সহ কোন প্রকার সাংগঠনিক কার্যক্রম না করার জন্য জনাব মির্জা আজম এম পি মহোদয়ের নির্দেশে কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারন সম্পাদক মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব নূর মোহাম্মদকে ইউনিয়ন সম্মেলন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম না করার জন্য পত্র দ্বারা বারন করেছে জেনেও আবু নাসের মোহাম্মদ ফারুক সনজু অ্যাডভোকেট এবং শহীদুল ইসলাম হুমায়ুন অ্যাডভোকেট কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ ও জেলা আওয়ামীলীগের নির্দেশ উপেক্ষা করে পাকুন্দিয়া উপজেলার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সম্মেলনে অংশগ্রহন করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে চলেছেন এবং উদ্ধত পূর্ন বক্তব্য দিয়েছেন যা কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ কার্যকরি সংসদের সকল নেতৃবৃন্দকে আহত করেছে।
.
এ অবস্থায় অদ্য ২৪ শে জুন ২০২১ খ্রি.সন্ধা ৭ টায় কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সম্পাদক মন্ডলীর জরুরি সভায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহানের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়।সভায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার দায়ে আবু নাসের মোহাম্মদ ফারুক সনজু, তথ্য ও গভেষনা সম্পাদক পদ থেকে এবং শহীদুল ইসলাম হুমায়ুন, সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহিত হওয়ায় তাদের কে জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গভেষণা সম্পাদক পদ হতে এবং জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য পদ হতে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। আরও চিঠিতে জানানো হয় যে, কেন তাদেরকে দলীয় প্রাথমিক পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে লিখিত আকারে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকে জানাতে বলা হয়েছে।