বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার অভিবাসী ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র শুভশ্রীকে খোলা চিঠি দেবের লোডশেডিং প্রসঙ্গে দুষ্টু লোকে বলে, ‘টুকু আসে, টুকু যায়’ সেপ্টেম্বরে তফসিল, ডিসেম্বরে স্থানীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ: সিইসি নওগাঁয় অগ্নিদগ্ধ ‘পাখিকে’ দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজাউন নবী স্যান্ডো পাহাড়ি ঢলে ভেসে যাওয়া ছেলের পর মায়ের মরদেহ উদ্ধার ভয়াবহ বন্যায় তছনছ নেপালের রসুয়া, নিহত বেড়ে ৯৫ ছাত্রদল ছেড়ে জাতীয় যুবশক্তিতে, তাড়াইলে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান লিয়ন কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ে অন্য তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।  

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের খৈলাকুড়ি গ্রামের খোকন মিয়া। তিনি নিহত হেনা আক্তার স্বামী। ননদ জরিনা খাতুন ও তাদের মামাতো ভাসুর জালাল মিয়া।

প্রায় ১১ বছর আগে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার খৈলাকুড়ি গ্রামের খোকন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় একই গ্রামের হেনা আক্তারের। দাম্পত্য জীবনে তাদের ঘরে দুইটি মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু খোকন বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন হেনাকে। হেনাও বেশ কয়েকবার বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দেন স্বামীকে। শেষ পর্যায়ে আরও ১ লাখ টাকা দাবি করেন স্বামী। কিন্তু এ টাকা দিতে অস্বীকার করলে স্বামী-শ্বশুরবাড়ির লোকজন হেনার ওপর অত্যাচার নির্যাতন শুরু করে। একপর্যায়ে ২০১৫ সালের ০৪ অক্টোবর রাতে হেনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে স্বামীসহ তার আত্মীয়-স্বজন।

এ ঘটনায় নিহত হেনার ভাই সাইকুল ইসলাম বাদী হয়ে খোকনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে করিমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট এমএ আফজল এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আকন্দ ও অ্যাডভোকেট শ্যামল কুমার সরকার পরিচালনা করেন।  

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com