গণনা শেষে টাকার পরিমাণ নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ টি এম ফরহাদ। রুপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা কঠোর নিরাপত্তায় এসব টাকা ব্যাংকে নেওয়ার ব্যবস্থা করছেন।
মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়। এগুলো খুলে ১৫টি বস্তায় টাকাগুলো আনা হয়েছে। এরপর শুরু হয় গণনা।
মসজিদের খতিব, এলাকাবাসী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজন সূত্রে জানা যায়, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়। এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এখানে দান করে থাকেন।