কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলাতে সবজির দাম ক্রমাগত বাড়ছেই। দিন দিন সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে সবজি।
বিক্রেতারা বলছেন, প্রট- ঠান্ডা ও কুয়াঁশার কারণে স্থানীয় সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি সবজিতে ১০-১৫ টাকা দাম বেড়েছে। কোনো কোনো সবজি দ্বিগুণ দামেও বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) উপজেলার সদর বাজার, সতুন বাজার, সাজনপুর বাজার , দামপাড়া বাজার ও সিংপুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের লাউ এক সপ্তাহ আগে ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হলেও দাম বেড়ে হয়েছে ৫০-৬০ টাকা। এছাড়া ২০ টাকার টমেটো ৪০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, ২০ টাকার বেগুন ৪০ টাকা, ৪০ টাকার ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা, ২০ টাকার গাজর ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ২০ টাকার আলু ৪০ টাকা, ২০ টাকার চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ৩০ টাকার বাঁধাকপি ৫০ টাকা, ৪০ টাকার কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, ১০ টাকার মুলা ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
এক সপ্তাহ আগে কচুর মুখি ৩০ কেজি বিক্রি হলেও এখন তার দাম বেড়ে হয়েছে ৫০-৫৫ টাকা। ঝিঙের দামও বেড়েছে। আগে ৪০ টাকা কেজি ঝিঙে বিক্রি হলেও এখন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নিকলী সদর ইউনিয়নের এলাকার বাসিন্দা কামাল মিয়া বলেন, ‘গত সপ্তাহে টমেটো কিনেছি ২০ টাকা কেজি। সোমবার কিনলাম ৪০ টাকা কেজি। সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা দাম বেড়েছে। এখন সবজিও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা মো. নেপাল সাহা বলেন, স্থানীয় বাজারগুলো থেকে পাইকারিভাবে কম সবজি সরবরাহ কম হচ্ছে। যা আসছে তা দিয়ে নিকলীর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। আমাদের দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাড়তি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে।