বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
তারেক-এরদোয়ান বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে আলোচনা মোহাম্মদপুর থেকে নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি গ্রেফতার বারিধারায় ফুটপাতে গাড়ি চাপায় শ্রমিক হত্যার ঘটনায় সেই কিশোর চালক গ্রেপ্তার বিএনপি কথা বলে ভালো, কিন্তু তাদের শাসনামলে মানুষ ভালো থাকে না: চরমোনাই পীর তাবলিগ থেকে ফিরে ওসির সঙ্গে দুই সাবেক মাদক কারবারির সাক্ষাৎ ইউপি নির্বাচনে বাড়ছে জামানত ও ব্যয়ের সীমা, নির্ধারিত হলো প্রতীক নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৭২ জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান পুলিশের পদক্ষেপ দেখে গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত: স্পিকার

এখনো পানিবন্দি হাজারো মানুষ, খাদ্য সংকট-রোগবালাই

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে
এখনো পানিবন্দি হাজারো মানুষ, খাদ্য সংকট-রোগবালাই

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে গেল ভয়াবহ বন্যা। ফেনীতে পানি নেমে গেলেও নোয়াখালীতে এখনো পুরোপুরি যায়নি বন্যার পানি। গত ১০ দিন ধরে পানিবন্দি নোয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ। ফলে সেখানকার বন্যার্ত মানুষ চরম ভোগান্তিতে আছেন।

বন্যা-পরবর্তী খাদ্য সংকটের পাশাপাশি প্রাদুর্ভাব বেড়েছে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের। তাদের ঘরগুলোও এখনো বসবাস অনুপযোগী। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন নারী-শিশু ও বৃদ্ধরা।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ৯ নম্বর দেউটি ইউনিয়নে দেখা গেছে, বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ আর অসহায়তার চিত্র। সেখানকার অধিকাংশ রাস্তাঘাটে এখনো হাঁটুসমান পানি। কোথাও তার একটু নিচে।

নবগ্রামের এক বাড়িতে সাতটি পরিবার এখনো পানিবন্দি। সবার রান্নাঘরে পানি এখনো থৈ থৈ করছে। বসতঘর থেকে পানি নেমে গেলেও কাদামাটির মধ্যেই বসবাস করছেন সাতটি পরিবারের প্রায় ৪০ জন সদস্য।

বাড়ির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা অনেক কষ্টে আছেন। এখানকার কেউ কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন। বাকিরা হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগল রেখে যেতে পারছেন না। এমন অবস্থায় ঘরেও থাকতে পারছেন না, আশ্রয়কেন্দ্রেও যেতে পারছেন না। সবার ঘরের মেঝে ভেঙে গেছে। পানি নামলে তাদের যেন দ্রুত পুনর্বাসন করা হয়। অন্যথায় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।

শুধু সোনাইমুড়ী নয়, বন্যায় একই পরিস্থিতি জেলার চাটখিল ও সেনবাগ উপজেলায়ও। পানি না নামায় গত কয়েকদিনের দুর্ভোগে নাকাল বানভাসিদের জীবন।

চাটখিল উপজেলার রাজারামঘোষ গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, খাটের ওপর আরেকটি চৌকি দিয়ে ঘুমাইছি সাতদিন। এখন ঘরের মেঝে থেকে পানি নামছে। রান্নার ব্যবস্থা নাই। কাদামাটিতে হাঁটায় বাচ্চাদের পায়ে ক্ষত হয়ে গেছে। পানিবাহিত রোগবালাইও বাড়ছে।

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা বলছেন, ফেনীতে পানি দ্রুত এসে দ্রুত নেমে গেছে। নোয়াখালীতে পানি এসেছে ধীরে, ধীরে। এখন যাচ্ছেও ধীরে। একটা ইউনিয়নে পানিবন্দি প্রায় হাজার পরিবার থাকলেও পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা নেই।

সোনাইমুড়ী উপজেলায় ত্রাণ বিতরণের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী আশরাফুল আমিন বলেন, মানুষ দু-তিনদিন পানিবন্দি থাকলে শুকনো খাবার বা আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে সহায়তা করা যায়। কিন্তু দিনের পর দিন সহযোগিতা করা কঠিন। এখনো বন্যার পানি নামছে না। অনেকের বসতঘরে এখনো পানি, রান্নার চুলাও জ্বলছে না। কেউ কেউ এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন।

নোয়াখালী জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এখনো প্রায় ১৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি। আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন এক লাখ ৩৮ হাজার মানুষ।

জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা কিছু খাল পরিষ্কার করেছি। পানি ধীরে ধীরে নামছে। মাঝেমধ্যে বৃষ্টিও হচ্ছে, তাতে পানি বেড়ে যাচ্ছে। তবে সব জায়গায় এখনো আশ্রয়কেন্দ্র চালু আছে। পানি নেমে গেলে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা বলেন, শুরুতে উপজেলায় পানিবন্দি ছিল ৫০ হাজার, এখন সেটি ২০ হাজারে নেমেছে। আশ্রয়কেন্দ্র ছিল প্রায় ২০০টি, এখন তা কমে ১০০-এর নিচে। পুনর্বাসনের তালিকা তৈরি হচ্ছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com