ঢাকার গুলশানে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকার মহানগর হাকিম সেফাতুল্লাহ ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নথিবদ্ধ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
চার দিনের রিমান্ড শেষে রিয়াদসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা মহানগর শাখার বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিম হোসেন, সদস্য সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাবকে আদালতে হাজির করা হয়। রিয়াদ স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দেওয়ায় তা নথিবদ্ধ করা হয় এবং অপর তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৭ জুলাই রিয়াদ ও জানে আলম অপু শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগ হলে হুমকি দেন এবং ১০ লাখ টাকা আদায় করেন। পরবর্তী সময়ে বাকি ৪০ লাখ টাকা দাবি অব্যাহত রাখেন। ২৬ জুলাই পুনরায় বাসায় গিয়ে হুমকি দিলে পুলিশ তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
এ ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় রিয়াদের বাসা থেকে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার চারটি চেক এবং পরবর্তীতে বাড্ডার বাসা থেকে ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়, যা আদায়কৃত অর্থের অংশ বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ মামলায় পরে জানে আলম অপুকেও গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।