শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
নির্দোষ কেউ চাকরিচ্যুত হয়নি, ৮৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী এসআরবি বিল পাস, র‍্যাব বিলুপ্ত বিএনপি আসার পর আইনশৃঙ্খলার ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি’ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিশোরগঞ্জে ৪০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বরগুনায় নদীর তীরে ভেসে এল ৩২ ফুট লম্বা তিমির মৃতদেহ কোচিং বন্ধ, স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ; কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু, সভাপতিত্ব করছেন খলিলুর রহমান সরকারও আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম

পীরগাছায় অজানা রোগে ২শতাধিক গরু ও ছাগলের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
পীরগাছায় অজানা রোগে ২শতাধিক গরু ও ছাগলের মৃত্যু

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় অজানা রোগে দুই শতাধিক গরু ও ছাগলের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত পশু মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মারা যাচ্ছে, যা উপজেলার শতাধিক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগকে বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

খামারিরা জানান, গত এক মাস ধরে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রাণঘাতী রোগ। আক্রান্ত পশুর শরীরে হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে একদিনের মধ্যেই মৃত্যু ঘটছে। অনেক খামারি আতঙ্কে পশুগুলো কম দামে স্থানীয় কসাইয়ের কাছে বিক্রি করছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি তৈরি করছে।

অনন্তরাম গ্রামের মোজাফফর মিয়া বলেন, “আমার ৩টি গরু ও ৪টি ছাগল মারা গেছে। জীবনের সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে গবাদিপশু পালন করেছিলাম। এখন আমি নিঃস্ব।” স্থানীয় খামারি খোকা মিয়া জানান, “একদিন জ্বর দেখা দিলো, পরদিনই মারা গেল। আমার ৬টি পশু মারা গেছে। বাকিগুলো আতঙ্কে পানির দরে বিক্রি করেছি। গোয়ালঘর এখন শূন্য।”

খামারিরা অভিযোগ করেছেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অফিসে থাকলেও সাড়া দিচ্ছেন না। রবিউল ইসলাম বলেন, “অফিসে গেলে দেখা যায় কর্মকর্তা ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে ব্যস্ত। আমরা কিছু বলতে পারি না।” স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে এবং সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে পুরো উপজেলায় বড় ধরনের বিপর্যয় আসতে পারে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. একরামুল হক মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “জনবল সংকটে আমরা ঠিকমতো মাঠে যেতে পারিনি, তবে আজ থেকে দুটি টিম গরু ও ছাগলের টিকাদান শুরু করেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ঢাকার বিশেষজ্ঞ দল এলেই প্রকৃত রোগ শনাক্ত করা যাবে। স্থানীয়ভাবে যা সম্ভব, তা করা হচ্ছে। তবে রোগটি যদি ছোঁয়াচে হয়, দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com