শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
তুরস্কে গুলিতে নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকুন্দিয়ায় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২৯ দিন পর ঢাকায় গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে ১৫ কেজি গাঁজা ও নগদ টাকাসহ যুবক গ্রেপ্তার এলএনজি বিদ্যুতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, নতুন বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন রোনালদো

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পাকুন্দিয়ার যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

মো: মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পাকুন্দিয়ার যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরহাদ হাসান সানী (৪৫) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের হিজলীয়া গ্রামে।

রবিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নিহতের ছোট ভাই জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পূর্ণবাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) সার্জন ডা. মো. দ্বীন ইসলাম মিঠু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে সৌদি আরবের তাবুক শহরের প্রিন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহতের চাচাত ভাই মেহেদী হাসান রাকিব জানান, শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে ফরহাদ হাসান সানী, তার ছোট ভাই রিটন ও আরও একজন সহকর্মী ডিউটি শেষে প্রাইভেটকারে বাসায় ফিরছিলেন। পথে হঠাৎ গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি পিলারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেলে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ফরহাদ হাসান সানী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে তাবুক প্রিন্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

নিহতের ছোট ভাই ডা. মো. দ্বীন ইসলাম মিঠু বলেন, আমার বড় ভাই দীর্ঘ ২২ বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই, তিনিই আমাদের পরিবারের বড় ছিলেন। বর্তমানে দুতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার মরদেহ দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com