শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
নির্দোষ কেউ চাকরিচ্যুত হয়নি, ৮৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী এসআরবি বিল পাস, র‍্যাব বিলুপ্ত বিএনপি আসার পর আইনশৃঙ্খলার ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি’ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিশোরগঞ্জে ৪০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বরগুনায় নদীর তীরে ভেসে এল ৩২ ফুট লম্বা তিমির মৃতদেহ কোচিং বন্ধ, স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ; কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু, সভাপতিত্ব করছেন খলিলুর রহমান সরকারও আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পাকুন্দিয়ার যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

মো: মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পাকুন্দিয়ার যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরহাদ হাসান সানী (৪৫) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের হিজলীয়া গ্রামে।

রবিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নিহতের ছোট ভাই জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পূর্ণবাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) সার্জন ডা. মো. দ্বীন ইসলাম মিঠু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে সৌদি আরবের তাবুক শহরের প্রিন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহতের চাচাত ভাই মেহেদী হাসান রাকিব জানান, শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে ফরহাদ হাসান সানী, তার ছোট ভাই রিটন ও আরও একজন সহকর্মী ডিউটি শেষে প্রাইভেটকারে বাসায় ফিরছিলেন। পথে হঠাৎ গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি পিলারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেলে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ফরহাদ হাসান সানী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে তাবুক প্রিন্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

নিহতের ছোট ভাই ডা. মো. দ্বীন ইসলাম মিঠু বলেন, আমার বড় ভাই দীর্ঘ ২২ বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই, তিনিই আমাদের পরিবারের বড় ছিলেন। বর্তমানে দুতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার মরদেহ দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com