সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কটিয়াদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে খাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দুদকের সংবাদ সম্মেলনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট নির্বাচনে প্রার্থীর ডোপ টেস্ট কেন বাধ্যতামূলক নয়: হাই কোর্ট ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৩৬ চাহিদা অনুযায়ী বোয়িং কিনেছি, কোনো গোপন এজেন্ডা নেই: হুমায়ুন ক‌বির কিশোরগঞ্জে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, ১০ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড কিশোরগঞ্জের হত্যা মামলার আসামি ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে কারাবন্দি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু নাসীরুদ্দীনের অসংলগ্ন ও ভারসাম্যহীন কথাবার্তা বলার অভ্যাস রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেলের পর সামনে সুপেয় পানির জন্যও যুদ্ধ হতে পারে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

কিশোরগঞ্জে কারাবন্দি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

মুঞ্জুরুলহক মুঞ্জু
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জে কারাবন্দি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) নামে এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

খাইরুল আমিন কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওমরাহ শেষে দেশে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যে গত ৮ সেপ্টেম্বর কটিয়াদী মডেল থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পরিবারের অভিযোগ, কারাগারে থাকাকালে কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন খাইরুল। আগে থেকেই তিনি মাঝে মাঝে বুকে ব্যথায় ভুগতেন। গত দুই দিনে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার তাকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

খাইরুলের পরিবারের দাবি, সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ পাওয়া গেলে তাকে হয়তো বাঁচানো সম্ভব হতো। তবে কারা কর্তৃপক্ষ পরিবারের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ার পর দ্রুত তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার সেলিনা আক্তার রেখা বলেন, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় প্রথমে খাইরুল আমিনকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি ব্যবস্থাপনায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কারাবন্দির মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় অবহেলার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট হতে পারে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com