শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
আশুলিয়ায় ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার বাংলাদেশসহ ১৪ দেশকে নিয়ে সৌদির নতুন সমুদ্রকেন্দ্রিক সামরিক জোট ঘোষণা ‘অগাস্টেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য’ বাংলাদেশিদের ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার তাগিদ ভারতের সংসদীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার পদত্যাগ, সংকটে ফিফা সভাপতি নওগাঁয় জমি দখলের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সুবিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন: হোসেনপুরে কিশোরীকে নির্যাতন, জোরপূর্বক বিয়ে ও প্রাণনাশের অভিযোগ ৫০ বছরে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের প্রাণহানি জুলাই নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল

কুমিল্লা একবালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের চলছে ক্লাস

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯
  • ৭২৮ বার পড়া হয়েছে

আব্দুল্লাহ আল মানছুর:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার একবালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুই বছর পূর্বে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও ছোট ছোট কোমলমতি শিশুদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই লেখাপড়া করতে হচ্ছে এই জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনে। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য অতিরিক্ত কোন কক্ষ বা ভবন না থাকায় বাধ্য হয়ে ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছেন এই ভবনেই।
বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ে ক্লাস রুমে। তখন সকলের মনেই ছাদ ধসে পড়ার শঙ্কা থাকলেও জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নের একবালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়- একবালিয়া সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের এই ভবনটি স্থাপিত হয় ১৯৯৪ সালে। পরে এই বিদ্যালয় ভবটিকে সাধারণ শিক্ষা প্রকল্পের আওতায় পুন:নির্মাণ করা হয়। মাত্র ২৩ বছরের মাথায় এই ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। বিগত ২ বছর পূর্বে শিক্ষা বিভাগের প্রকৌশলীগণ জরিপ করে বিদ্যালয় ভবটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে ঘোষণা করে।

অতি পুরাতন ও জরাজীর্ণ এ ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করছে শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকরা। ভবনের ছাদ ও দেয়ালের প্লাষ্টার উঠে গেছে। ভবনের পিলার ও ছাদের ঢালায়ের সুরকি খসে গিয়ে রড বেড়িয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে ছাদ থেকে প্লাষ্টার ও সুরকি খসে পড়ে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।

যেকোন সময় ভবনটি হয়ে পড়েছে স্যাঁতস্যাঁতে ধসে পড়ে শিশুদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। বর্ষার দিনে সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুঁইয়ে শ্রেণি কক্ষ পানিতে ভরে যায়। বৃষ্টিতে ভিজে যায় আসবাবপত্র ও শিক্ষার্থীরা। এ সময় অধিক বেশী ঝুঁকিতে থাকে শিক্ষার্থীদের প্রাণ। ভারী বর্ষণ হলে আতঙ্কে থাকে অভিভাবরাও। একবালিয়া সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন জানান, বিদ্যালয়টি বর্তমানে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভয়ে ভয়ে ক্লাস করতে হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২১০জন শিক্ষার্থী রয়েছে। দুই শিফটে ক্লাশ করতে হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টির শ্রেণীকক্ষের পাশাপাশি শিক্ষকদের রুমটিও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস জরিপের পর ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে এবং গত ৫ মাস পূর্বে ভবনটির জন্য ৭৮ লক্ষাধিক টাকা বরাদ্দ এসেছে, তবে নতুন ভবন করার নাম গন্ধও নেই। ভবন মেরামত করা না হলে যে কোন সময় ভবনটি ধসে পড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জানমালের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এবিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন জানান-অতি শীঘ্রই ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে, আমি এবিষয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com