মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মদনমোহনপুর চা বাগানের এক খ্রিস্টান নারী চা শ্রমিক (৩০) চা বাগান থেকে সাপ্তাহিক রেশন নিয়ে ঘরে ফেরার পথে গত ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। এ সময় ঐ এলাকার শুক্কু গোমেজ (৩৫) তাকে একা পেয়ে জোরপূবর্ক ধরে নিয়ে ১০ নং প্লান্টেশন এলাকার চা বাগানের নির্জন স্থানে ধর্ষণ করে ফেলে যায়। এ ঘটনার ৬ দিন পর গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) কমলগঞ্জ থানায় ধর্ষিতার ভাশুর মিলন গোমেজ একটি মামলা করলে পুলিশ ধর্ষক শুক্কু গোমেজকে গ্রেফতার করে।
থানায় করা অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শুক্কু গোমেজ নিয়মিত এ নারী চা শ্রমিককে উত্যক্ত করতো। তাকে নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিত। গত বৃহস্পতিবার নারী শ্রমিক চা বাগান অফিস থেকে সাপ্তাহিক রেশন নিয়ে গারো টিলায় ফেরার পথে সন্ধ্যায় রাস্তায় একা পেয়ে জোর পূর্ব ঝাপটে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে ধর্ষিতা নিজে বাড়ি ফিরে তার শশুরবাড়ির লোকজনকে ঘটনাটি জানালে এলাকাবাসী, চা বাগান পঞ্চায়েত ও বাগান ব্যবস্থাপককে অবহিত করেছিলেন। ঘটনার রাতেই বিষয়টি থানা কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে অবহিত করে নির্যাতিতাকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছিল। সেখান থেকে ধর্ষিতার মেডিক্যাল চেকআপের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। নির্যাতিতা এখনও মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত ২৭ নভেম্বর বুধবার রাতে ধর্ষিতার ভাশুর মিলন গোমেজ ধর্ষণ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় একটি মামলা করলে পুলিশ মদমোহনপুর চা বাগানে তার বাড়ি থেকে থেকে ধর্ষক শুক্কু গোমেজকে গ্রেফতার করেছে।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীন চন্দ্র দাস বলেন, ‘ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ধর্ষককে মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয়।’