শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
নির্দোষ কেউ চাকরিচ্যুত হয়নি, ৮৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী এসআরবি বিল পাস, র‍্যাব বিলুপ্ত বিএনপি আসার পর আইনশৃঙ্খলার ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি’ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিশোরগঞ্জে ৪০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বরগুনায় নদীর তীরে ভেসে এল ৩২ ফুট লম্বা তিমির মৃতদেহ কোচিং বন্ধ, স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ; কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু, সভাপতিত্ব করছেন খলিলুর রহমান সরকারও আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম

নতুন বছরের প্রথম দিনে জন্মেছে প্রায় ৪ লাখ শিশু, সবচেয়ে বেশি ভারতে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৪২৩ বার পড়া হয়েছে

নতুন বছরের প্রথম দিনে বিশ্বজুড়ে জন্ম নিয়েছে প্রায় ৪ লাখ শিশু। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিশুর জন্ম হয়েছে ভারতে। ইউনিসেফ এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, নতুন বছরের প্রথম দিনে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৭৮ জন শিশু জন্মগ্রহণ করে সারাবিশ্বে। এর মধ্যে ভারতে জন্মগ্রহণ করেছে ৬৭ হাজার ৩৮৫ জন। শিশু জন্মদানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন। সেখানে জন্ম নেয় ৪৬ হাজার ২শ ৯৯ জন। বাকিদের জন্ম অন্যান্য দেশে।

নতুন বছরের প্রথম দিনের প্রথম শিশুটি জন্মগ্রহণ করে ফিজিতে এবং সর্বশেষটি যুক্তরাষ্ট্রে। মোট জন্ম নেওয়া শিশুর অর্ধেকই জন্ম নিয়েছে আটটি দেশে। ভারতে ৬৭,৩৮৫ জন, চীনে ৪৬,২৯৯ জন, নাইজেরিয়ায় ২৬,০৩৯ জন, পাকিস্তানে ১৬,৭৮৭ জন, ইন্দোনেশিয়ায় ১৩,০২০ জন, যুক্তরাষ্ট্রে ১০,৪৫২ জন, কঙ্গোতে ১০,২৪৭ জন এবং ইথিওপিয়াতে ৮,৪৯৩ জন জন্ম নেয়।

প্রতিবছর এই দিনে শিশুর জন্ম উদযাপন করে ইউনিসেফ। লাখ লাখ নতুন শিশুর জন্য এই দিনে জন্মগ্রহণকে মঙ্গলজনকই বলা হয়।

ইউনিসেফের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিনরিট্টা ফোর বলেন, নতুন বছর ও নতুন দশকের শুরু আশা ও স্বপ্ন প্রতিফলন করার একটা সুযোগ আমাদের জন্য। সেটা শুধু আমাদের ভবিষ্যতের জন্যই নয় বরং আমাদের পরে যারা আসবে তাদের ভবিষ্যতের জন্যও।

২০১৮ সালে জন্মের পর প্রথম মাসেই পঁচিশ লাখ শিশু মারা যায়। আর তাদের তিনজনে একজন মৃত্যুবরণ করে জন্মের প্রথম দিনেই। শিশুদের বেশিরভাগই প্রতিরোধমূলক কারণে মৃত্যুবরণ করে যেমন, অপরিণত বয়সে জন্ম, জন্মদানের জটিলতা বা সেপসিসের মতো ইনফেকশন।

ইউনিসেফের হিসেবে প্রতিবছর পঁচিশ লাখ শিশু জন্মেই মারা যায়। তবে গত তিন দশকে শিশুমৃত্যুর হার কমানোতে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। এখন পাঁচ বছরের মধ্যে শিশু মৃত্যুর হার নেমে এসেছে অর্ধেকে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com