রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আলোচনা সভা শিগগিরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ, তেলের দামও কমবে: ট্রাম্প কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে ধনিয়াপাতা সংগ্রহের সময় বজ্রপাতে শ্রমিক নিহত, আহত ১ কালের সাক্ষী ২৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক গোল মসজিদ হোসেনপুর উপজেলা পরিষদে বিশাল ভিমরুলের চাক, আতঙ্কে মানুষ নির্দোষ কেউ চাকরিচ্যুত হয়নি, ৮৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী এসআরবি বিল পাস, র‍্যাব বিলুপ্ত বিএনপি আসার পর আইনশৃঙ্খলার ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি’ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শীত মৌসুমে পর্যটক শূন্য কমলগঞ্জ

সালাহউদ্দিন শুভ
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৩৯৭ বার পড়া হয়েছে

সারা বছর পর্যটন জেলা মৌলভীবাজারে পর্যটকের আনাগোনা থাকলেও শীত মৌসুমে তা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। কিন্তু চলতি মৌসুমে সে পর্যটকের সংখ্যা কমেগেছে আশংকাজনকভাবে। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে অন্যান্য বছর জেলার প্রতিটি হোটেল-রিসোর্ট পরিপূর্ণ থাকলেও এ বছর ছিল ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। পর্যটন মৌসুমে পর্যটক কমে যাওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়ছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

সংশ্লিষ্ট ষূত্রে যায় যায়, পর্যটন মৌসুমে মৌলভীবাজারে সবচেয়ে বেশি পর্যটক দেখা যায় কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেইক, হামহাম জলপ্রপাত, মণিপুরী পাড়া, বড়লেখার মাধবকুন্ড এবং শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা বাগান ও বাইক্কাবিল, কুলাউড়ার কালাপাহাড়, হাকালুকি হাওর। এই পর্যটকদের ৯৫% থাকার জন্য বেচে নেন শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের প্রায় ৮০টি হোটেল রিসোর্টকে। এ সব হোটেল-রিসোর্ট প্রতি বছর নববর্ষের সময় কয়েক হাজার পর্যটক আগাম বুকিং দিয়ে রাখেন । কিন্তু এই বছর পর্যটকের সংখ্যা কমেগেছে ৮০ শতাংশ। ৮০ টি হোটেল রিসোর্টে গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ছাড়া সব রুম খালি ছিল।

শ্রীমঙ্গল শহরের গ্রীণলিফ রিসোর্টের পরিচালক এস কে দাস সুমন জানান, ‘গত বছর তার রিসোর্টের ৯০ শতাংশ রুমে পর্যটক ছিলেন কিন্তু এই বছর তার ৮৫ শতাংশ রুম পর্যটন শূন্য ছিল। পর্যটন বান্ধব পরিবেশ না থাকায় পর্যটকরা বিদেশ মুখী হচ্ছেন বলে তার ধারণা।’
পর্যটন সেবা সংস্থা শ্রীমঙ্গলের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক জানান, ‘গত কয়েক বছর ধরে পর্যটক কমছে কিন্তু এই বছর তা আশংকাজনক হারে কমে এসেছে। পর্যটক কমার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, পর্যটকরা এখন বিদেশমুখী, খরচের অনুপাতে ভারত, থাইল্যান্ড বা বালিতে পর্যটকরা যে সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে আমাদের এখানে তা পাচ্ছেনা। দেশে পর্যটনের ব্যাপারে সরকার উদাসীন। পর্যটকদের জন্য নুন্যতম সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা যাচ্ছেনা। হাজার হাজার পর্যটক আসেন কিন্তু ভাল একটি পাবলিক টয়লেট নেই শ্রীমঙ্গলে। আন্তঃনগর ট্রেনে নেই পর্যাপ্ত আসন। সেই সাথে আছে মাইকের বিকট শব্দ। অন্যদিকে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার মাধবকুন্ড জলপ্রপাতেও একই চিত্র। অন্যান্য বছর গড়ে যে পর্যটকের সংখ্যা দেখা যায় এবছর তা নেই। এমনকি নববর্ষের দিনেও অনেকটাই পর্যটক শূন্য ছিল।’

মাধবকুন্ড পর্যটক সহায়ক ও উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান কবির জানান, ‘নববর্ষে আগত পর্যটকদের সংখ্যায় প্রতি বছর বৃদ্ধি পায় কিন্তু এই বছর তা হয়নি। আমাদের ধারণা ছিল নববর্ষ উপলক্ষে মাধবকুন্ডে ১৫ থেকে ২৫ হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটবে। সেখানে মাত্র সহ¯্রাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে যার বেশীরভাগ স্থানীয় পর্যটক।’

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com