ভৈরবে বাজার মূল্যের থেকে অধিকমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজ ও চাউল বিক্রি করার অপরাধে তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বিশা হাজার টাকা করে মোট ৬০হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেছেন উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ভৈরব বজারা নতুন গলির চাউল ব্যবসায়ী মোঃ আতিকুল ইসলাম, লঞ্চঘাট এলাকার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সোঃ ফরহাদ মিয়া ও সুমন মিয়া। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভৈরব বাজার মনিটরিং করে এ অর্থদন্ড প্রদান করেন ভৈরব উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট হীমাদ্রী খীসা।
জানা যায়, বিশ্বব্যাপি মহামারি রুপ ধারনকারি করোনা ভাইরাসকে পুজি করে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অধিক মুনাফা লাভের আশায় বাজার মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি করছিলেন। এ নিয়ে গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যম ফেসবুকসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে তুমুল আলোচনার ঝর উঠে। পরদিন বাজার অভিযোগের সত্যতা খুজতে অভিযানে নামে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় তাৎক্ষণিক তিনজন পাইকারি চাউল ও পেঁয়াজ বিক্রেতাকে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে ভৈরব পৌর নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক নাছিমা বেগমসহ পুলিশ বাহিনী সহায়তা করেন।
এবিষয়ে অভিযানের নেতৃত্বদানকারি নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট ভৈরব উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হীমাদ্রী খীসা জানান, বিশ্বব্যাপি আতংক করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতার সুযোগ নিয়ে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজার মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে পণ্য বিক্রির তথ্য পাওয়ার প্রেক্ষিতে বাজার মনিটরিং করা হয়। এসময় পেঁয়াজের বাজার মূল্য থেকে কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৩৫টাকা বেশি ও চাউলের বস্তাপ্রতি ৩শ থেকে ৪শ টাকা বেশি মুল্যে বিক্রির অপরাধে তিনজনকে ৬০হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। সারাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। ফলে আপাতাত মূল্য বৃদ্ধির কোনো সুযোগগ নেয়। এছাড়াও ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণে বাজার মনিটরিং অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।