শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
পাবনায় বিলে বজ্রপাতে একসঙ্গে ৬ তরুণের মৃত্যু, আহত ৩ তিন মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৪২ হাজার কোটি টাকা বছরের শেষ নাগাদ পণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইট তাড়াইলে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় মামলা পাকুন্দিয়ায় ২০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঢাকা মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত পাকুন্দিয়ায় ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিকলীতে নিম্ন আয়ের লোকজন বিপাকে

সঞ্জিত চন্দ্র শীল
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫৩২ বার পড়া হয়েছে

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার নি¤œ আয়ের লোকজন চরম বিপাকে পড়েছেন। গত ১৫ দিনের টানা অঘোষিত লকডাউনে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। এর মধ্যে চরম হতাশ হয়ে পড়ছেন দৈনিক শ্্রম বিক্রির ভিত্তিতে খেটে খাওয়া সাধারণ লোকজন।
চলমান পরিস্থিতিতে নিজেদের পরিবার পরিজন নিয়ে চিন্তিত তারা। করোনার চেয়ে বেশি চিন্তা করছেন সংসার চালানো নিয়ে।

নিকলী উপজেলা সদরসহ উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন নি¤œ আয়ের মানুষের সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।
নিকলী সদর বাজারের লেপ-তোষকের কারিগর বলেন। এ ব্যবসা দিয়ে চার ছেলেমেয়ের পড়াশোনাসহ ছয সদস্যের পরিবার টানাটুনি করে চালাচ্ছেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে দোকান বন্ধ।

না খেয়ে থাকলেও সংসার চালানো নিয়ে চরম হতাশ হয়ে দোকানের সামনে বসে আছেন। তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। করোনার চেয়ে বেশি টেনশন সংসার নিয়ে। উপজেলা থেকে তালিকা নিবে শুনছি। কবে তইলকা নিবে আর কবে খাদ্য সহায়তা পাই কে জানে?
তার পাশে বসে আছেন মস্তু মিয়া নামের একজন যিনি একটি হোটেলে দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করেন।
তিনি জানান, তার আয়ে চলে ছয় সদস্যের পরিবার। গত ১৫ দিন ধরে কাজ বন্ধ। এভাবে ঘুর খরচ বেশি। গত ১৫ দিন ধরে আয় রোজগার বন্ধ। আর কয়দিন চলবে কেজানে। এভাবে চলতে থাকলে না খেয়ে মরব।

নিকলী সদর বাজারে সেলুনের কাজ করেন রিপন নামের একজন জানান, দুই সপ্তাহ ধরে কাজ বন্ধ। অন্য দোকানপাট কিছুটা খোলা থাকলেও সেলুন একদম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে তিনি পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। আর কয়দিন এভাবে থাকতে হবে তা ভেবেও হতাশ তিনি।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারের এসব নিম্ন আয়ের মানুষেরা তাদের দুর্ভোগের কথা জানান। তারা জানান, বড় লোকেরা হয়তো ঘরে থেকে এভাবে চলতে পারবে। কিন্তু আমাদের কি হবে?

আমরা তো দিন আনি দিন খাই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। এ দুর্যোগে সরকার বিভিন্ন সহায়তার আশ্বাস দিলেও কিছু- কিছু লোকজন পাচ্ছে। অন্যরা তা না পেয়ে হতাশ।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকৃত খেটেখাওয়া হতদরিদ্রের তালিকা করে দ্রুততম সময়ে সহায়তা করার অনুরোধ করেন এসব নি¤œআয়ের লোকজন।
নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামছুদ্দিন মুন্না বলেন, আমরা নি¤œ আয়ের লোকজনের নামের সঠিক তালিকা তৈরি কাজ শুরু করবো। আশা করছি বরাদ্দ পেলেই তাদের ঘড়ে-ঘড়ে গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী পৌচ্ছে দিবো।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com