করোনাভাইরাস আতঙ্কে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প-কলকারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আতঙ্ক নিয়ে অনেক আগেই রাজধানী ছেড়েছে অধিকাংশ মানুষ। যারা আছে, তারাও প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হচ্ছে না।
আর এসব কারণে ফলের বাজারগুলোতে ক্রেতা সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। এতে কমে গেছে ব্যবসায়ীদের ফল বিক্রি। আর বিক্রি কমে যাওয়ার ফল পচে অনেক লোকসান গুনতে হচ্ছে তাঁদের। এভাবে চলতে থাকলে ফল ব্যবসায়ীদের প্রায় কয়েক হাজার টাকার ক্ষতি হবে বলে দাবি করেছে ব্যবসায়ীরা।
দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি ফলের বিক্রয় কেন্দ্র হলো কিশোরগঞ্জে পুরান থানা ও ভৈরব বাজার। নিকলী পুরান বাজারের ফল ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘সামনে রমজান, তাই আমদানি প্রচুর। কিন্তু বাজার ক্রেতাশূন্য। তাই মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে আমরা প্রচুর আর্থিক ক্ষতিতে পড়েছি। পুরাণ বাজারের আরেক খুচরা ফল ব্যবসায়ী ইসরাইল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখন খুব খারাপ অবস্থা। করোনার কারণে মানুষ এখন ঘরবন্দি। ফলে ক্রেতা নেই। দোকান খুলে বসে থাকি কিন্তু ফল বিক্রি করতে পারছি না। প্রতিদিনই কিছু না কিছু ফল নষ্ট হচ্ছে।এখন দোকান বন্ধ করে দিবো।
সাত্তার মিয়া ও ফুলু হোসেন বলেন , রমজান উপলক্ষে দেশে ফলের চাহিদা থাকে খুব বেশি। সে চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই আমরা বিশাল পরিমাণ ফল আমদানি করি। বর্তমানে ফলের বাজার যে বেহাল, ক্রেতা না থাকায় ব্যবসায়ীরা ফল বিক্রি করতেই পারছেন না। এভাবে চলতে থাকলে আমারাদের অনেক টাকার ক্ষতির মধ্যে পড়ে যাব।