বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন: ইসি সচিব স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী না করলে গণতন্ত্র টেকসই হয় না: মির্জা ফখরুল সৌদির বিরুদ্ধে হুতিদের নৌ-অবরোধের তীব্র নিন্দায় বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জে সড়কের পাশে পড়েছিল মুক্তিযোদ্ধার ছেলের লাশ হোসেনপুরে বিলুপ্তির পথে মাকাল ফল, নতুন প্রজন্মের কাছে অচেনা কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হোসেনপুরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নিকলীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড নিকলীতে নিখোঁজের একদিন পর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে খাল থেকে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

নিকলীতে করোনা রিপোর্ট, ভুল না প্রতারণা!

দিলীপ কুমার সাহা
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ১১৯৩ বার পড়া হয়েছে

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই চিকিৎসকসহ তিন স্বাস্থ্য কর্মির করোনা রিপোর্ট পাওয়া গেলো পজেটিভ। সাময়িক লকডাউন ঘোষনা হলো হাসপাতাল। পূণঃরিপোর্টে সেই পজেটিভ সকলেই হয়ে গেলো নিগেটিভ! রহস্যময় এই রিপোর্ট নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা। আইইডিসিআর রিপোর্টভুল না কি প্রকারণা।

জানা যায়, গত ১৮ই এপ্রিল পর্যন্ত নিকলী উপজেলায় একজন করোনা কোভিট-১৯ আক্রান্ত রোগির সন্ধান পাওয়া যায়। একই দিন নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা.খান নূরুদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, ডা. টুম্পা রাণী দাস, এ্যাম্বুলেন্স চালক শামীম মিয়াসহ ৯ ব্যক্তির নমূনা আইইডিসিআর পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। ২২শে এপ্রিল রাতে উল্লেখিত ৩ স্বাস্থ্যকর্মি ও নারায়রগঞ্জ ফেরত এক মহিলাসহ ৪জনের দেহে করোনা ভাইরাস পজেটিভ রয়েছে বলে জানা যায়। ২৩শে এপ্রিল উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি এক প্রজ্ঞাপনে হাসপাতালটি সাময়িক লকডাউন ঘোষনা করে। সীমিত পরিসরে ই-সেবা দেওয়ার কথা বলা হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিদের আবাসস্থলে জরুরি অবস্থা জারি করে মাইকিং করে। উপজেলাবাসি ও সরকারি-বেসরকারি সকল কর্মকর্তা কর্মচারির মধ্যে দেখা দেয় চরম আতঙ্ক।

স্বাস্থ্যকর্মিদের কারও মধ্যেই করোনা আক্রান্তের উপসর্গ দেখা যায়নি। ২৩শে এপ্রিল এই তিন স্বাস্থ্যকর্মির পূণঃনমূনা সহ ৪০ সন্দেহভাজনের উপাত্ত্ব পাঠানো হয় আইইডিসিআর পরীক্ষাগারে। ২৫শে এপ্রিল রাতে সকলের করোনা ভাইরাস নেগেটিভ আসে। স্বাস্থ্যকর্মিদের কারও মধ্যেই আক্রান্ত হওয়ার কোন প্রকার উপসর্গ না থাকায় এবং দুইবারের পরীক্ষায় বিপরীত ফলাফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই রহস্যের ইঙ্গিত করেন। কেউ কেউ আক্রান্তের ভয়ে ডাক্তারদের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার কৌশল বলেও মন্তব্য করছেন। সরকার ঘোষিত প্রনোদনার টাকা হাতিয়ে নিতে অসৎ ডাক্তার চক্রের কারসাজির সন্দেহও পোষণ করেন কেউ কেউ। নাম প্রকাশে অনিচছুক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মি জানান, টিএইচও সাহেব করোনাকালের কাগুজে স্বাস্থ্যকর্মি। করোনা রোগির ধারে কাছেও যাননা।

এ ব্যাপারে সমালোচনার শিকার উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.খান নূরুদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, কোন উপসর্গ ছাড়া রিপোর্ট পজেটিভ আসায় হতবাকই হয়েছিলাম। দুটো রিপোর্টই সরকারি পরীক্ষাগারের। আমাদের কোন হাত নেই।

উপজেলা করোনা প্রতিরাধ কমিটির সভাপতি ও নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামসুদ্দিন মুন্না স্বাস্থ্যকর্মিদের দুইবারে দুই রকমের রিপোর্ট আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, তৃতীয় পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে। তারপর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা.মো. মজিবুর রহমান বলেন, করোনা ভাইরাস কোভিট-১৯ চৌদ্দ দিনের মধ্যে প্রকাশ পায়। শেষ দিকে কারও নমূনায় পজেটিভ আসলেও পরবর্তী পরীক্ষায় নেগেটিভ হতে পারে। ইতিমধ্যে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি কাটিয়ে উঠে। যদিও সাধারণত চৌদ্দ দিন পর দ্বিতীয় নমূনা পাঠানোর নিয়ম। স্বাস্থ্যকর্মির সংকুলতায় আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হতে দুতিন দিনের মধ্যেই পূণঃনমূনা পাঠিয়ে থাকি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com