শুক্রবার মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংক ভানুগাছ শাখার একজন কর্মকর্তা ও একনজন নিরাপত্তাকর্মী আনসার সদস্য করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হওয়ার পর থেকে রোববার (৩ মে) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ শাখাটি লকডাউন করা হয়েছে। ফলে জনতা ব্যাংক ভানুগাছ শাখা অস্বাভাবিক চাপে পড়েছে। জনতা ব্যাংক ভানুগাছ শাখার বাহিরে ছিল ভাতা ভোগীদের দীর্ঘ লাইন।
সোমবার (৪ মে) সকালে দেখা যায় সকাল ১০টায় ব্যাংক শাখা খোলার কথা থাকলেও জনতা ব্যাংক ভানুগাছ শাখার সামনে নারী-পুরুষ গ্রাহকরা তার আগে সকাল ৮টায় এসে বাহিরে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। গ্রাহকদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দিলেও কোনভাবে এ নির্দেশনা মানেননি গ্রাহকরা। সকাল সাড়ে ৯টায় ব্যাংক শাখা খুলে প্রবেশকালে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে গ্রাহকদের হাত বিজিয়ে প্রবেশ করানো হয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে গ্রাকহদের উপস্থিতি আরও বেড়ে যায়।
জনতা ব্যাংক ভানুগাছ শাখার ব্যবস্থাপক তমাল দত্ত সোমবার দুপুরে বলেন, ভানুগাছ শাখা সোনালী ব্যাংক লকডাউনে থাকায় ভাতাভোগীদের চাপ এ শাখা বেড়ে গেছে। তাদের একজন কর্মচারী হোম কোয়ারেন্টিনে থাকায় মাত্র ৪জন স্টাফ নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। ব্যাংকের ভিতরে সামাজিক দূরত্ব রাখতে পারলেও ব্যাংকের বাহিরে কোনভাবে সামাজিক দূরত্ব রাখা যায়নি। গ্রাহকদের চাপ সামাল দিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে এ ব্যাংকের সামনে দুইজন পুলিশ সদস্য মোতাযেন করা হয়।