কিশোরগঞ্জে জেলা শহরের জেলখানা মোড় এলাকা হতে দুই ছিনতাইকারীকে আটক করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প। এসময় ছিনতাইকারীদের সাথে থাকা দুইটি ফোল্ডিং চাকু ও তিনটি মোবাইল ও ১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে কিছু অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারী দেশীয় অস্ত্রের ভয় ভীতি দেখিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন জেলখানার মোড় হতে নগুয়া পর্যন্ত এলাকায় জনসাধারনের নিকট হতে টাকা-পয়সা, মোবাইলসহ বিভিন্ন মূল্যবান দ্রব্য সামগ্রী ছিনতাই করে আসছে। উক্ত ছিনতাই চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য অত্র ক্যাম্প কর্তৃক গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়। র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি চৌকশ আভিযানিক দল টহল ডিউটি করাকালীন কিশোরগঞ্জ জেলার মডেল থানাধীন নগুয়া বটতলা হতে জেলখানার মোড়ের দিকে যাওয়ার সময় গতকাল (২৬ মে) দুপুরে জেলখানার মোড়ে পৌছামাত্র দেখা যায় কতিপয় লোক ছিনতাইয়ের জন্য একজন ব্যক্তিকে টানাহেচড়া করছে। উক্ত ব্যক্তি চিৎকার করিলে ঘটনাস্থলে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে আসামী মোঃ মিঠুন মিয়া (২৪), পিতা- মোঃ আবু তাহের, ও মোঃ ইমরান (২২), পিতা- মৃত আব্দুর রশিদ উভয় সাং- দেবেশ্বর, থানা- হোসেনপুর জেলা- কিশোরগঞ্জদ্বয় জনৈক মোঃ রাফি আহম্মেদ (১৯), পিতা-মোঃ রেনু মিয়া, সাং-কারংকা, থানা- তাড়াইল জেলা-কিশোরগঞ্জ এর নিকট হইতে টাকা পয়সা এবং মোবাইল ছিনতাইয়ের উদ্দ্যেশে টানা হেচড়া করছে। পরবর্তীতে ছিনতাইকারীর নিকট হইতে দুইটি ফোল্ডিং চাকু, তিনটি মোবাইল সেট এবং১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামীদ্বয় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরণের দেশীয় অস্ত্রের মাধ্যমে ভয় ভীতি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা পয়সা, মোবাইলসহ বিভিন্ন মূল্যবান দ্রব্য সামগ্রী ছিনতাই এবং ছিনতাই চক্রের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও অনুসন্ধানে দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় ছিনতাই করে আসছিল বলে স্বীকার করে । ছিনতাইয়ের মতো অপকর্মের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উক্ত বিষয়ে ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।