সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কিশোরগঞ্জের সাবেক কাউন্সিলরকে কুপিয়ে হত্যা রাজশাহীতে সারের জন্য হয়রানি, বদলি ডিডি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ডার্ক ওয়েবে বাংলাদেশিদের ৬০ লাখ সিভি বিক্রি বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ চেয়েছে ভারত বেলাবোতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা এহসান উল্লাহ পিয়াল গ্রেপ্তার কুলিয়ারচরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু, ঘিরে রহস্য নওগাঁয় জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন  নওগাঁর বদলগাছীতে পাওনা টাকা থেকে বাঁচতে যুবকের অপহরণের নাটক, জেলে পাওনাদার পিপলাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

সাড়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে
সাড়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ আজ মঙ্গলবার (১ জুন) দিন শেষে প্রথমবারের মতো ৪৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ রিজার্ভ দিয়ে আগামী ১২ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

এর আগে চলতি বছরের ৩ মে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল। ২৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৪৪.০২ বিলিয়ন বা চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার। আর ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ছিল ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ৪২ মিলিয়ন এবং ২৮ অক্টোবর রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার মজুত থাকতে হয়।

সদ্য-সমাপ্ত মে মাসে দুই হাজার ১৭১ মিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা গত বছরের (২০২০) একই সময়ের তুলনায় ৬৬৬ মিলিয়ন ডলার বেশি। গত বছরের মে মাসে এক হাজা ৫০৫ মিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।

চলতি বছর এপ্রিল মাসে ২০৬ কোটি ৭০ লাখ (২.০৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত বছরের (২০২০ সাল) একই সময়ের চেয়ে ৮৯ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। গত বছরের এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের ১০ মাসে রেমিট্যান্স দুই হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার।

২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী এক লাখ টাকা দেশে পাঠালে এর সঙ্গে আরও দুই হাজার টাকা যোগ করে মোট এক লাখ দুই টাকা পাচ্ছেন তারা। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি এক শতাংশ দেয়ার অফার দিচ্ছে। এতে করে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন বিদেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসছে। রফতানিও বেড়েছে। এছাড়াও আমদানি ব্যয়ের চাপ কম, দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও জাইকার বৈদেশিক ঋণ সহায়তা এবং বিশ্ব সংস্থার অনুদানের কারণে রিজার্ভ বেড়েছে। তবে সামনে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধ করলে রিজার্ভ আবার কিছুটা কমে যাবে।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ইরান ও মালদ্বীপ- এই নয়টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। এ দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যেসব পণ্য আমদানি করে এর বিল দুই মাস পর পর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়ে থাকে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com