সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কিশোরগঞ্জের সাবেক কাউন্সিলরকে কুপিয়ে হত্যা রাজশাহীতে সারের জন্য হয়রানি, বদলি ডিডি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ডার্ক ওয়েবে বাংলাদেশিদের ৬০ লাখ সিভি বিক্রি বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ চেয়েছে ভারত বেলাবোতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা এহসান উল্লাহ পিয়াল গ্রেপ্তার কুলিয়ারচরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু, ঘিরে রহস্য নওগাঁয় জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন  নওগাঁর বদলগাছীতে পাওনা টাকা থেকে বাঁচতে যুবকের অপহরণের নাটক, জেলে পাওনাদার পিপলাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

ইভ্যালি কি হাওয়া?

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১
  • ১৯২ বার পড়া হয়েছে
ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও এমডি’র দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ইভ্যালি হাওয়া। বৃহস্পতিবার এমন একটি ফেইসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়েছে। দুপুর সারে ১২ টার দিকে ঢাকার পান্থপথের রেস্টুরেন্ট মাদল’র কর্ণধার মেহেদি মাসুদ তার ফেইসবুক ওয়ালে এই স্ট্যাটাসটি দেন।

মেহেদি মাসুদ লিখেন: ‘ইভ্যালি হাওয়া হয়ে গেছে? আমি এবং ‘মাদল’ ইভ্যালির কাছে মোটা অংকের টাকা পাব। আজ সকালে যোগাযোগ করতে গিয়ে দেখি, অফিসে তেমন কেউ নেই। সবার ফোন বন্ধ! কী শুরু হয়েছে!’
ইভ্যালি কি হাওয়া?

ইভ্যালি কি হাওয়া?

মেহেদি মাসুদের স্ট্যাটাসে এলেক্স মারফি নামক একজন কমেন্ট করেছেন, ‘যে জাতি কে ডেসটিনি, ইউনি পে, স্পিক এশিয়া, ভরে দেয়ার পরও এদের জ্বালা মিঠে না, সে দেশে ইভ্যালির মত প্রতিষ্ঠান যুগে যুগে জ্বালা মেটাতে আসবেই।’

আরাফাত হাসান প্রান্ত লিখেছেন, ‘আপনারা সাপোর্টে রাখেন। সাপোর্টে না রাখলে কোন কারনে কম্পানি বন্ধ হলে আপনাদের আমাদের সকলের লস। টাকা সরকারি নেতাপেতা রা লুটেপুটে খাবে।’

বিশ্বাস রাজু লিখেছেন, ‘আমার ইলিশ মাছ, চৈত্রের শুরুতে অর্ডার দিয়েছি, বৈশাখে খাবো বলে, আষার শেষ হয়ে যায়, নাহি এখনও জুটিল কপালে।’

তুষার সরকার লিখেছেন, ‘আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে ইভ্যালির ফাউন্ডার এবং সিইও আছে দেখতে পাচ্ছি। উনি কি আপনার পোস্ট দেখেছেন বা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কি না তাও জানাইয়েন।’

রেজাউল রাজু লিখেছেন, ‘চ্যালেঞ্জ নিয়েই সম্ভবত ইভ্যালিতে বিনিয়োগ করেছিলেন! সব চ্যালেঞ্জ সফল হয় না ভাই।’

এদিকে ইভ্যালির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (মার্চেন্ট) কেউ কেউ গ্রাহকদের পণ্য দিচ্ছে না। ইভ্যালির দেওয়া ভাউচার দিলেও প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের বলছে ইভ্যালির কাছ থেকে পণ্য বুঝে নিতে। কারণ, ভাউচারের বিপরীতে ইভ্যালি তাদের পাওনা পরিশোধ করেনি। আবার চেক দিলেও ওই চেক ব্যাংকে জমা না দিতে বলছে ইভ্যালি। কারণ, তাদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে টাকা নেই।

টাকা পাচ্ছে না বলে পণ্য সরবরাহকারীদের কেউ কেউ ইভ্যালির দেওয়া গিফট ভাউচারের বিপরীতে পণ্য দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এসব নতুন নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে কয়েক দিন ধরে। এত দিন মূল অভিযোগ ছিল, গ্রাহকদের একটা অংশ সময়মতো পণ্য পাচ্ছেন না।

 

গতকাল বুধবার দেশি পোশাকের ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, ইভ্যালি যে গিফট ভাউচারগুলো কিনেছিল, সেগুলো নিয়ে বিশেষ সমস্যায় পড়েছে তারা। গিফট ভাউচার নিলেও সিংহভাগ ক্ষেত্রেই টাকা পরিশোধ করেনি ইভ্যালি। অনেকবার যোগাযোগ করলেও ইভ্যালি এ ব্যাপারে সন্তোষজনক উত্তর দেয়নি। ফলে ইভ্যালির এই ভাউচার ব্যবহার করে তারা এখন কেনাকাটা করতে দিতে পারছে না।

‘ক্রেতাদের অসুবিধার জন্য দুঃখিত-লজ্জিত’—এ কথা উল্লেখ করে রঙ বাংলাদেশ আরও বলেছে, ইভ্যালির কাছ থেকে পাওয়া টাকার অনেক বেশি পণ্য গিফট ভাউচারের বিপরীতে ক্রেতাদের দেওয়া হয়েছে রঙ বাংলাদেশের সুনামের স্বার্থে। এ ক্ষেত্রে ক্রেতা ও রঙ বাংলাদেশ উভয়ই এখন ভুক্তভোগী। এখন বাধ্য হয়েই গিফট ভাউচার ব্যবহার করে কেনাকাটা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। টাকা পরিশোধের প্রক্রিয়া ইভ্যালি চলমান করামাত্রই গিফট ভাউচারগুলো সচল করা হবে।

রঙ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৌমিক দাস গতকাল বলেন, ‘অনেক টাকা ইভ্যালিতে আটকে রয়েছে। আমরা নিরুপায় হয়েই এই বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি।’ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও একই ধরনের অসুবিধায় আছে বলে জানা গেছে।

এর আগে ব্র্যাক, সিটিসহ বেশ কটি ব্যাংক তাদের কার্ডের মাধ্যমে ইভ্যালিসহ আরও বেশ কয়েকটি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে। আর ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মনীতির মধ্যে আনতে ৪ জুলাই দেশে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা জারি করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই দিন থেকেই তা কার্যকর। এতে বলা হয়েছে, ক্রেতা-বিক্রেতা একই শহরে অবস্থান করলে ক্রয় আদেশ দেওয়ার ৫ দিনের মধ্যে, ভিন্ন শহরে থাকলে ১০ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করতে হবে। পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে, মূল্য পরিশোধের ১০ দিনের মধ্যে ক্রেতার পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে।

ওই নির্দেশিকা জারির পর এখন গ্রাহকের পণ্যের ক্রয়াদেশের বিপরীতে সরাসরি অর্থ পাচ্ছে না ইভ্যালি। অন্যদিকে পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও পাওনা টাকা দিতে পারছে না। এ অবস্থায় কয়েক দিন ধরেই পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংকে চেক জমা না দিতে অনুরোধ করছে ইভ্যালি। মার্চেন্টদের পাঠানো খুদে বার্তায় তারা বলছে, ‘ইভ্যালির হিসাব বিভাগ থেকে বলছি। ইভ্যালি থেকে যে চেক দেওয়া হয়েছে, তা ব্যাংকে এখন জমা দেবেন না। কবে জমা দেবেন, কলসেন্টার থেকে কল দিয়ে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। ওই দিনই আপনার চেকের টাকা ব্যাংকে দেওয়া থাকবে।’

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com