চল যাই যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে, চল যাই যুদ্ধে দূর্নীতির বিরুদ্ধে এই স্লোগানকে সামনে রেখে চুরি, ছিনতাই ও ট্রেনের টিকেট কালো বাজারি রোধ কল্পে আলোচনা ও মত বিনিময় সভা হয়েছে।
সোমবার (১৬ আগষ্ট) বিকেলে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশান চত্ত্বরে ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ আফজল, পৌর মেয়র মাহমুদ পারভেজ, কিশোরগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোস্তাক সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) ইব্রাহিম মোল্লা, কিশোরগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এনায়েত করিম অমি, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাছুমা আক্তার, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম, আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক, শহর কৃষক লীগের সভাপতি মো: আলমগীর হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন, সাধরণ সম্পাদক ফয়েজ উমান খান’সহ স্থানীয় এলাকাবাসী।
কিশোরগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস বেগম ও জেলা পরিষদের সদস্য এ্যাড. সানোয়ার হোসেন রুবেল এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সব সময় আমাদের অবস্থান রয়েছে। চুরি ও ছিনতাই রোধে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ আফজল বলেন, এজন্য অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। তারা তাদের সন্তানদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে।
কিশোরগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোস্তাক সরকার বলেছেন, তথ্য দিলেই আমরা মাদকের ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। তাছাড়াও মাদক, চুরি, ছিনতাই ও টিকেট কালো বাজারিদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান রয়েছে। আমাদের সাথে যোগাযোগ সম্ভব না হলে ৯৯৯ এ ফোন দিলেই ঘটনাস্থলে পুলিশ হাজির হবে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও কিশোরগঞ্জ জেলা মৎস্যজীবী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তার বক্তৃতায় একাধিক অভিযোগ করে বলেন, ঘর থেকে বের হলেই গাঁজার (মাদক) গন্ধ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় আমাদের ৭নং ওয়ার্ডে যারা মাদক ব্যবসা করে তারা চিহ্নিত, তবুও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকের মামলায় কেউ আসামী হলে তার সরকারি চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, ড্রাইভিং লাইসেন্স হবে না, পাসপোর্ট করতে পারবে না। কোনো শিক্ষার্থী এই মামলায় অভিযুক্ত হলে উপবৃত্তি থেকেও বঞ্চিত হবে।
One thought on "তথ্য দিলেই মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে"