কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামী মোঃ মাহমুদুল হাসান সাগরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প।
গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১খ্রিঃ সন্ধায় ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামী মোঃ মাহমুদুল হাসান সাগর ভিকটিম (১১) কে তার বাড়ি থেকে ফুসলাইয়া কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশনে নিয়ে আসে এবং রেলস্টেশনের রেস্ট হাউজের ২য় তলায় ভিআইপি কক্ষের বাথরুমের মধ্যে প্রবেশ করাইয়া ভিকটিমের নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের ভাই মোঃ হোসাইন ইসলাম পায়েল (২৫) বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-০১, তারিখ-২০/০৯/২০২১খ্রিঃ, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০(সংশোধনী-২০০৩) এর ৭/ ৯(১)। এই ঘটনা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হলে তা ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
উক্ত ঘটনার পরপরই র্যাব-১৪, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন পারিপার্শ্বিকতার বিচার ও বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করে আসামী ধরতে জোর প্রচেষ্টা চালায় এবং
ঘটনার একমাত্র আসামী মোঃ মাহমুদুল হাসান সাগরকে র্যাব-১৪, সিপিসি-২,কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল নেত্রকোনা জেলার
বারহাট্টা থানাধীন ঝাউয়াইল এলাকায় বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে ৮ অক্টোবর রাত
আনুমানিক ৩.৩০ ঘটিকায় গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মাহমুদুল হাসান
সাগর কিশোরগঞ্জ সদরের পূর্বতারাপাশার মোঃ আব্দুল জলিলের পুত্র।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে আসামী। সে জানায়, ভিকটিম তার খালাতো বোন। আসামীর এক বন্ধুর জন্মদিনের কেক কাটার কথা বলে ভিকটিমকে ফুসলাইয়া রেল স্টেশনে নিয়ে আসে এবং উপরে বর্ণিত ঘটনাস্থলে কসটেপ দিয়ে ভিকটিমের দুই হাত এবং পরনের পাজামা দিয়ে পা বেঁধে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের চিৎকারে লোকজনের উপস্থিতি টেরপেয়ে সে পলায়ন করে।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামীকে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র্্যাব।