কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস কে সবুজায়নের জন্য বনায়নের উদ্দেশ্যে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সর্বমোট পাঁচ হাজার ফলজ, বনজ, ঔষধী ও বাহারী গাছের চারা রোপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রথম পর্যায়ে সাড়ে পাঁচ শত চারা রোপন করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে মেডিকেল কলেজের একাডেমিক ভবনের কনফারেন্স রুমে এ আয়োজনের শুভ সূচনা হয়। ডাঃ মোঃ জাহিদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন সিনিয়র কনসালটেন্ট, শিশু বিভাগ ডাঃ মোঃ নুরুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডাঃ অনুপম হোসাইন, সহকারী পুলিশ সুপার সিআইডি (ঢাকা) হারুনুর রশীদ, রোটারি ক্লাব অব ঢাকা অবনি (প্রজেক্ট চেয়ার) মোঃ সিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট মৎস্য বিজ্ঞানী (তারাবাইম মাছের কৃত্রিম প্রজনন উদ্ভাবনে অত্র উপমহাদেশের প্রথম সফল গবেষক) ড. এস.এম. ফরিদ। এছাড়াও কলেজ ও হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসক, অধ্যাপক, শিক্ষক, পরিবেশ বিজ্ঞানী, সমাজকর্মী, এনজিও কর্মী, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্স উপস্থিত ছিল।
রোটারি ক্লাব অব ঢাকা অবনি এর অর্থায়নে সকল চারা রোপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রজাতির পাঁচ হাজার গাছের চারা রোপন করে এই ক্যাম্পাসকে সবুজায়ন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন রোটারি ক্লাব অব ঢাকা অবনি কর্তৃপক্ষ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন. বাংলাদেশে এখন সরকারি হিসেবে ৭.৭% সবুজ বনায়ন রয়েছে যা বেসরকারি হিসেবে ৫%। যেখানে একটি দেশে ২৫% বনায়ন থাকা অপরিহার্য। বৃক্ষরোপনের উপর গুরুত্ব, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, গ্রীন হাউজ ইফেক্ট, কার্বন ডাই অক্সাইড বেড়ে যাবার সাথে সাথে দুই মেরুর বরফ গলে পানির উচ্চতা বেড়ে আমাদের মতো নীচু ভূমী তলিয়ে যাওয়া এবং সাইক্লোন, বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যাবার প্রভাব নিয়ে এবং সবুজায়নের গুরুত্ব দিয়ে বক্তাবৃন্দ দীর্ঘ আলোচনা করেন।
ড. এস.এম ফরিদ বলেন, নরসুন্দা বিধৌত উক্ত মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের উর্বর মাটি বৃক্ষায়ন ও সবুজায়নের জন্য খুবই উপযোগী। সদ্য প্রতিষ্ঠিত মেডিকেল কলেজ চত্ত্বর ভূ-খন্ডের অতীত ইতিহাসও তিনি তার আলোচনায় তুলে ধরেন।
এই কর্মসূচীর সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক (শিশু বিভাগ) ডাঃ রাহাত বিন হাবিব।