কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় চার দিন পর নিখোঁজ এক জেলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও এলাকাবাসি। মঙ্গলবার (২১ডিসেম্বর) সকালে ঘোড়াউত্রা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মংলো বমর্নের (৬৫) লাশ উদ্ধার করে।
গত শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোরে উপজেলার ছাতিরচর এলাকায় ঘোড়াউত্রা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিকলী থানা-পুলিশ বাল্কহেডসহ তিন শ্রমিককে থানা হেফাজতে রেখেছে। নিকলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনিছুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
পরে নিকলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাল্কহেডের শ্রমিক উছমান, মুর্শিদ মিঞা ও আমির হামজা নামের তিনজনকে থানা হেফাজতে রাখেন। তারা হলো সুনামগঞ্জে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাসিন্দা। এ সময় পুলিশ বাল্কহেডটিও জব্দ করে।
পুলিশ জানান, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা থেকে শনিবার ভোরে বাল্কহেডটি সুনামগঞ্জ জেলার উদ্দেশে রওনা করে। পথিমধ্যে ঘোড়াউত্রা নদীতে একটি মাছ ধরার নৌকার সঙ্গে ধাক্কা লাগলে সেটি তলিয়ে যায়। এ সময় নৌকায় থাকা আটজন জেলের মধ্যে মংলো (৬৫) নিখোঁজ হন। জয় বর্মণ (২০) ও লবেন বর্মণ (৪০) নামের দুই জেলেকে স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। অন্য ৫ জন সাঁতারকেটে নদীর পাড়ে উঠতে সক্ষম হয়। তাদের সবার বাড়ি নিকলী উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে।