পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁ জেলার তিন উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহন হয়েছে। এরমধ্যে সাপাহার ও পোরশা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পাওয়া গেছে। যেখানে নৌকা প্রতীকে ১১ এবং স্বতন্ত্র পদে এক জন প্রার্থী বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে পত্নীতলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটি ইউনিয়নে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম এবং পোরশা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তোজাম্মেল হক বেসরকারি ভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। সাপাহার উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে নৌকা প্রতিকে পাঁচজন ও স্বতন্ত্র একজন বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
নৌকা প্রতীকে বিজয়ীরা হলেন- সাপাহার সদর ইউনিয়নে সাদেকুল ইসলাম, গোয়ালা ইউনিয়নে কামরুজ্জামান, তিলনা ইউনিয়নে মোসলেম উদ্দীন, পাতাড়ী ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর আলম এবং শিরন্টি ইউনিয়নে বোরহান উদ্দীন। স্বতন্ত্র বিজয়ী প্রার্থী হলেন- আইহাই ইউনিয়নে জিয়ারুজ্জামান টিটু।
পোরশা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে ছয়টিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
বিজয়ীরা হলেন- নিতপুর ইউনিয়নে এনামুল হক, তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে ফজলুল হক শাহ্ চৌধুরী, ছাওড় ইউনিয়নে মোস্তাফিজুর রহমান, গাঙ্গুরিয়া ইউনিয়নে আনিসুর রহমান, ঘাটনগর ইউনিয়নে বজলুর রহমান, ও মশিদপুর ইউনিয়নে হারুন অর রশিদ।
অপরদিকে, পত্নীতলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ১১টি ইউনিয়নে মধ্যে সাতটির ফলাফল বেসরকারি ভাবে ঘোষণা করেছেন। পত্নীতলা উপজেলার নৌকা প্রতীকে বিজয়ীরা হলেন, মাটিন্দর ইউনিয়নে সুলতান মাহমুদ ও নির্মইলে আবুল কালাম আজাদ
স্বতন্ত্র বিজয়ী প্রার্থী হলেন- পাটিচড়া ইউনিয়নে ছবেদুল ইসলাম রনি, আমাইড় ইউনিয়নে শহীদুল ইসলাম, শিহাড়া ইউনিয়নে তোফাজ্জল হোসেন, নজিপুর ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান মিন্টু এবং দিবর ইউনিয়নে রাহাদ জামান।
স্থগিত রয়েছে- ঘোষনগর, কৃষ্ণপুর, পত্নীতলা ও আকবরপুর ইউনিয়ন।
নওগাঁ জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিনটি উপজেলার ২৩ টি ইউনিয়নের মোট ২২০ টি কেন্দ্রের ১ হাজার ২০৩ কক্ষে মোট ৪ লাখ ৩ হাজার ৮৩৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যেখানে চেয়ারম্যান পদে ৯৮ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ২৮৭ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৭৮৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।