এ সময় কমলগঞ্জ উপজেলা অফিসার সিফাত উদ্দিন বলেন, ‘একসময় শিশুরাই সমাজ ও দেশের বিভিন্ন বড় জায়গায় আসবে, সমাজকে নেতৃত্ব দেবে। এই ধরনের কর্মসূচীর মাধ্যমে কিশোরী, কন্যা শিশু অথবা যুব নারীদের নেতৃত্ব প্রদানকারীর ভূমিকা পালন করতে আত্মবিশ্বাসী এবং উৎসাহিত করবে। তিনি এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তাই শিশুদের ছোট থেকেই দেশের জন্য প্রস্তুত করা সকলের দায়িত্ব।’
ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্কফোর্স (এনসিটিএফ) কন্যা শিশুরা সমান অধিকার এবং পর্যাপ্ত সুযোগ পেলে বদলে দিতে পারে তাদের জীবন, সমাজের মানুষদের-এমন বিশ্বাস থেকেই ‘গার্লস টেকওভার’ কর্মসুচীর উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই কর্মসুচীর প্রধান উদ্দেশ্য সমাজে মেয়েদের উচ্চপদস্থ বিভিন্ন পদের দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে তাদের অবস্থান, নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত ও সাফল্য তুলে ধরার আত্মবিশ্বাস তৈরী করা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুতিকাা রানী কর কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত উদ্দিনের নিকট এক ঘন্টার জন্য দায়িত্ব পালন করার অনুমতির জন্য একটি আবেদনপত্র দেন। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত উদ্দিনের অনুমতিক্রমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। ইউএনও সিফাত উদ্দিন ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেয় প্রতীকী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুতিকা রানী করকে। তারপর উক্ত পদের কি কি দায়িত্ব সেই সম্পর্কে ধারণা দেন তিনি। স্কুল ছাত্রী জুতিকা সেই ধারণা থেকে দীর্ঘ এক ঘন্টা দায়িত্ব পালন করেন। সব শেষে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত উদ্দিন নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
এ বিষয়ে ইউএনও হিসেবে প্রতীকি দায়িত্ব পালনকারী জুতিকা রানী কর বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমি এনসিটিএফ এর সাথে কাজ করছি, তবে আমার জন্য এই ধরনের অভিজ্ঞতা নতুন, এক ঘন্টার প্রতীকী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নিজেকে খুব গর্বিত মনে করছি। সমাজের নেতৃস্থানীয় জায়গাগুলোতে মেয়েদের অংশগ্রহণের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করছি। ভালো করে পড়াশোনা করে দেশের সেবা করা এমন কিছু কাজের সাথে যুক্ত হতে চাই।’