শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার এড়াতে বাসার ছাদ থেকে লাফিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আহত আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার অভিবাসী ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র শুভশ্রীকে খোলা চিঠি দেবের লোডশেডিং প্রসঙ্গে দুষ্টু লোকে বলে, ‘টুকু আসে, টুকু যায়’ সেপ্টেম্বরে তফসিল, ডিসেম্বরে স্থানীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ: সিইসি নওগাঁয় অগ্নিদগ্ধ ‘পাখিকে’ দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজাউন নবী স্যান্ডো পাহাড়ি ঢলে ভেসে যাওয়া ছেলের পর মায়ের মরদেহ উদ্ধার ভয়াবহ বন্যায় তছনছ নেপালের রসুয়া, নিহত বেড়ে ৯৫ ছাত্রদল ছেড়ে জাতীয় যুবশক্তিতে, তাড়াইলে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান লিয়ন

নতুন বছরে দ.কোরিয়ায় ৭ হাজার কর্মী পাঠানোর সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে
নতুন বছরে দ.কোরিয়ায় ৭ হাজার কর্মী পাঠানোর সম্ভাবনা

এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেমের (ইপিএস) আওতায় ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ায় মোট ২৭ হাজার ৯৩৫ জন কর্মী পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের ২৮ তারিখ পর্যন্ত মোট পাঁচ হাজার ৮৯১ জন গেছেন। সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে দেশটিতে ২০২৩ সালে প্রায় ৭ হাজার কর্মী পাঠানোর প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)।

বোয়েসেল সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি হয়। ২০০৮ সাল থেকে দেশটিতে দক্ষ কর্মী পাঠানো শুরু হয়। বোয়েসেল ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস অব কোরিয়া (এইচআরডি কোরিয়া) স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ইপিএসের আওতায় কয়েক ধাপে নির্বাচনের পর চাহিদা অনুসারে দক্ষ কর্মীরা কোরিয়ার শিল্প খাতে যাওয়ার সুযোগ পান।

বোয়েসেলের তথ্য মতে, সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু দক্ষিণ কোরিয়া গেছেন পাঁচ হাজার ৮৯১ জন বাংলাদেশি কর্মী। বিদায়ী বছরেই সর্বাধিক সংখ্যক কর্মী পাঠিয়ে রেকর্ড করেছে সরকার। আগামী বছরও দেশটিতে প্রায় ৭ হাজার কর্মী যেতে পারবেন বলে আশা করছে বোয়েসেল। বর্তমানে জামানতসহ সব কিছু মিলিয়ে নতুন কর্মীদের দুই লাখ টাকার মতো খরচ পড়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার চাহিদা অনুসারে পর্যায়ক্রমে এই শ্রমিক পাঠানো চলমান থাকবে।

বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মল্লিক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি, যোগ্য কর্মী প্রস্তুত এবং তাদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনতে ঢাকায় দেশটির দূতাবাস এবং ইপিএস সেন্টারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ইপিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ নির্বাচিত ১৬টি দেশ থেকে মাঝারি ও স্বল্প-দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ১৩৫.৪৬ মিলিয়ন ডলার। দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের রেমিট্যান্স আয়ের ১৫টি প্রধান উৎসর অন্যতম।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com