নিলামে উঠতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রুবি (রত্ন পাথর)। আগামী ৮ জুন নিউইয়র্কের সোথবিস ম্যাগনিফিসেন্ট জুয়েলস অকশনে উঠতে যাচ্ছে এটি। ৫৫ দশমিক ২২ ক্যারেট ওজনের এই রুবির নাম ইসত্রেলা ডি ফিউরা। সোথবিস এটির দাম নির্ধারণ করেছে ৩ কোটি মার্কিন ডলার। এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হলে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল রুবি। কানাডার প্রতিষ্ঠান ফুরা জেমস মোজাম্বিকের একটি খনিতে এটি আবিষ্কার করে। এটি নিলামে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন সোথবিসের নিলামকারী উনি কিম।
সোথবিসের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে সবচেয়ে দামি রুবিটির নাম ছিল সানরাইজ রুবি। ২৫.৫৯ ক্যারেটের ওই রুবি মিয়ানমারে আবিষ্কার করা হয়। ২০১৫ সালের সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয় সেটি। এটাই এত দিন পর্যন্ত সবচেয়ে দামি রুবির রেকর্ড দখল করে রেখেছে। অসামান্য স্বচ্ছতা এবং প্রাণবন্ত লাল রঙের জন্য এই রুবিকে প্রকৃতির একটি ব্যতিক্রমী ধন হিসাবে বর্ণনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সোথেবিসের দাবি আত্মপ্রকাশের সাত মাস পরে, রুবিটি ৫৫.২২ ক্যারেটের একটি নতুন কুশন কাট নিয়ে ফিরে এসেছে, এর মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে পাথরের পরম সৌন্দর্য।
মিয়ানমারে পাওয়া ২৫.৫৯-ক্যারেটের একটি রুবি ২০১৫ সালে জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে নিলামে তোলা হয়। নিলামে এটির দাম উঠেছিল ৩০.৩ মিলিয়ন । বাজারে আনার আগে, এস্ট্রেলা ডি ফুরাকে একটি ছোট প্রতিসম আকৃতিতে কেটে পালিশ করা হয়, এর মাধ্যমে রত্নটির উজ্জ্বলতা আরো বাড়ে। সোথবিস সুইস জেমোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পালিশ করার পর রুবিটির মধ্যে প্রাণবন্ত লাল আভা দেখা গিয়েছে।৫৫.২২-ক্যারেটের এই প্রাকৃতিক রুবি শুধুমাত্র মোজাম্বিকান রুবিদের মধ্যেই নয়, গোটা রত্ন জগতে একটি নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে।
সিএনএন-এর উদ্ধৃতি দিয়ে একটি বিবৃতিতে ফুরা জেমসের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও দেব শেঠি বলেছেন, এই ধরনের আকার এবং মানের পাথর সচরাচর দেখা যায় না। এটি এমন একটি রুবি যার থেকে নজর ঘোরানো যাবে না ।