শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি, অস্ত্রসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার ইমরান খানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে তোলপাড় ইমরান খানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে তোলপাড় আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় সব তথ্যই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে: আরপিএমপি কমিশনার নেপালের বন্যায় আনুমানিক ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত: রেড ক্রস সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ জনের জানাজা একসঙ্গে কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার এড়াতে বাসার ছাদ থেকে লাফিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আহত আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার

মশাবাহিত রোগ অনেক বাড়বে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ জুন, ২০২৩
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে
মশাবাহিত রোগ অনেক বাড়বে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

এশিয়ার দেশগুলোতে মশাবাহিত রোগ অনেক বাড়বে বলে সতর্ক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস জানিয়েছেন, এল নিনোকে নিয়েই ভয় ছিল। ২০২৩-২০২৪ সাল জুড়েই বিশ্বে ভাইরাসজনিত কিছু অসুখ রীতিমতো তাণ্ডব চালাবে।

সোমবার দ্যা ওয়ালের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।

তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস আরও বলেন, বৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির কারণে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, জিকা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়বে। পেরুতে ডেঙ্গুর প্রভাব মারাত্মকভাবে বেড়েছে। ডেঙ্গুর ডেনভি ভাইরাসও চরিত্র বদল করছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। স্ত্রী এডিস ইজিপ্টাই মশা এই ভাইরাসের বাহক। এরা আবার ইয়েলো ফিভার ভাইরাস, জিকা ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসেরও বাহক। চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে ইতোমধ্যেই ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন ফ্রান্সের বিজ্ঞানী। সেই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জিকা নিয়ে সতর্ক করে বলেছে, জিকাও মশাবাহিত রোগ। এক্ষেত্রেও দায়ী এডিস মশা। ভাইরাস মশার কামড় থেকে শরীরে ঢুকে রোগ ছড়ায়। জিকার উপসর্গও অনেকটা একই রকম, তবে এই ভাইরাস শরীরের স্নায়ুতন্ত্র বা নার্ভাস সিস্টেমকে বড়সড় আঘাত করে। অন্তঃসত্ত্বা ও ছোট বাচ্চাদের এই ভাইরাস সংক্রমণে জটিল অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রসঙ্গত, ফিরে এসেছে ‘এল নিনো’। এরই মধ্যে এটি জলবায়ুর উপর প্রভাব খাটাচ্ছে। ডেকে আনছে বৃষ্টি-অতিবৃষ্টি-খরা, তছনছ করে দিচ্ছে আবহাওয়া পরিস্থিতি। এল নিনো হলো সমুদ্রের পানির উষ্ণ স্রোত। প্রশান্ত মহাসাগরে দু’রকমের আবহাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। একটি হলো, লা নিনা যার জেরে তাপমাত্রা কমে, আর আরেকটি হলো এল নিনো যা ভয়ঙ্কর। এল নিনো হলে উষ্ণতম সামুদ্রিক জলস্রোত বা সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়।

চিলি, পেরুসহ দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব উপকূলবর্তী দেশগুলোতে এল নিনোর প্রভাব দেখা যায় প্রায় ২ থেকে ৭ বছর অন্তর। ওই সময় মহাসাগরের পৃষ্ঠের (সি সারফেস) পানি দ্রুত হারে অসম্ভব গরম হয়ে যায়। কারণ, ওই সময় প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্ত থেকে গরম পানির স্রোত ধেয়ে আসে মহাসাগরের পূর্ব দিকে। এল নিনোর উষ্ণ পানির স্রোত যখন পূর্ব উপকূলের ঠান্ডা পানিকেও উষ্ণ করে তোলে তখন মহাসাগর সংলগ্ন স্থলভাগের বিভিন্ন দেশের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এল নিনোর প্রভাবে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অতিবৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে প্রশান্ত মহাসাগরে ঘনাচ্ছে সাইক্লোন। অস্ট্রেলিয়ায় আবার ভয়ংক খরা দেখা দিয়েছে। জলবায়ুর এই নানা বদলের কারণে বিভিন্ন ভাইরাসের উপদ্রব বাড়ছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com