বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
তারেক-এরদোয়ান বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে আলোচনা মোহাম্মদপুর থেকে নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি গ্রেফতার বারিধারায় ফুটপাতে গাড়ি চাপায় শ্রমিক হত্যার ঘটনায় সেই কিশোর চালক গ্রেপ্তার বিএনপি কথা বলে ভালো, কিন্তু তাদের শাসনামলে মানুষ ভালো থাকে না: চরমোনাই পীর তাবলিগ থেকে ফিরে ওসির সঙ্গে দুই সাবেক মাদক কারবারির সাক্ষাৎ ইউপি নির্বাচনে বাড়ছে জামানত ও ব্যয়ের সীমা, নির্ধারিত হলো প্রতীক নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৭২ জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান পুলিশের পদক্ষেপ দেখে গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত: স্পিকার

বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রাখা হয়েছে: বিদ্যুৎ উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বৈদ্যুতিক লাইন চালু করা হবে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ঘাটের অদূরে স্থাপিত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৩৫ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) সুজন মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন, স্পেক্টা গ্রুপের চেয়ারম্যান খান মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

ফাওজুল কবির খান বলেন, বিগত সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অনেক অনিয়ম হয়েছে। ২০১০ সালে দ্রুত জ্বালানি সংগ্রহ আইন করে প্রতিযোগিতা ছাড়াই প্রকল্প দেয়া হয়েছে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। ফলে সরকারের খাতিরের লোককে প্রকল্প দেয়া হয়েছে। দুই দিক থেকেই দুর্নীতি হয়েছে। বেশি দামে বিদ্যুৎ প্রকল্প করা এবং সরকারের ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে দেয়া।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ বা জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করতে হলে আগে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে যেতে হতো। এটা তৃতীয় পক্ষের কাজ। তারা সব পক্ষের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু গত বছর কমিশনে একটি ধারা যুক্ত করা হয়েছে, তা হলো সরকার ইচ্ছা করলে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, এখন আর আগের মতো অযৌক্তিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। আমি দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনই ২০১০ সালের আইনের ভবিষ্যৎ প্রয়োগ বন্ধ করে দিয়েছি। একই সঙ্গে সরকারের দাম বাড়ানোর ক্ষমতার ধারাটিও বাতিল করে দেয়া হয়েছে। এখন থেকে আর মুখ চিনে এবং খাতিরের লোককে প্রকল্প দেয়ার সুযোগ নেই। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেই কাজ পেতে হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com