শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ফিলিপিন্সে স্কুলে বন্দুকধারীর গুলি: নিহত ৩, আহত ৮ ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান: ইরান যুদ্ধে সেনা পাঠাবে না দক্ষিণ কোরিয়া পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে বোমা হামলা, নিহত ১৬ ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে রাজধানীর মালিবাগে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট ১০৪৮ লুণ্ঠিত অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, পরিচয় গোপন রাখবে এসআরবি কিশোরগঞ্জে ২১৫০ পিস ইয়াবা ও ৯ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ৬ জুনের আগে সম্পন্ন করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ ‘ট্রাইব্যুনাল’ থেকে সরে দাঁড়ালেন নুসরাত, জানেন না নির্মাতা রায়হান

‘ঘুমের ওষুধ খাইয়ে জাহাজের ৭ জনকে কুপিয়ে হত্যা’

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরে সারবহনকারী এমভি আল বাখেরা জাহাজে সাত জনকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ঘাতক আকাশ মন্ডল ইরফানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বেতন ভাতা না পাওয়া ও দুর্ব্যবহারের ক্ষোভ থেকে আকাশ মন্ডল ইরফান জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়াসহ সবাইকে হত্যা করে।

কর্নেল মুনীম ফেরদৌস বলেন, জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘ ৮ মাস ধরে কোনো প্রকার বেতন ভাতা দিতেন না এমনকি তিনি দুর্ব্যবহারও করতো। এসবের ক্ষোভ থেকে আকাশ মন্ডল ইরফান সবাইকে হত্যা করেন।

তিনি জানান, ইরফান প্রথমে খাবারের মধ্যে ঘুমের ঔষুধ খাইয়ে সবাইকে অচেতন করে। পরে হাতে গ্লাভস পড়ে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে সবাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর সবাইকে কোপানের পর মৃত্যু নিশ্চিত করে নিজে জাহাজ চালিয়ে হাইম চর এলাকায় এসে অন্য একটি ট্রলারে করে পালিয়ে যান।

মাস্টার গোলাম কিবরিয়াকে হত্যার সময় অন্যরা দেখে ফেলায় ইরফান তাদেরও হত্যা করে বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

এর আগে গত রোববার চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে থেমে থাকা একটি জাহাজে সাত জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এঘটনায় আকাশ মণ্ডল ওরফে ইরফান নামে একজনকে বাগেরহাটের চিতলমারী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। জাহাজে হামলার শিকার আটজনের সঙ্গে ছিলেন ইরফান। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সাতজনের মৃত্যুর ঘটনায় হাইমচর থানায় জাহাজের মালিক মাহাবুব মুর্শেদ অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

নিহত সাতজন হলেন- জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়া, ইঞ্জিনচালক সালাউদ্দিন, সুকানি আমিনুল মুন্সি, গ্রিজার আজিজুল ও মাজেদুল, রানা কাজী এবং লস্কর সবুজ শেখ। এদের বাড়ি নড়াইল ও ফরিদপুর জেলায়। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের পক্ষে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে, জাহাজে খুন হওয়াদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ মঙ্গলবার বিকেলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসক মহসীন উদ্দিন ও নৌ-পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত পরিবারের স্বজনদের ২০ হাজার টাকার চেক ও নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। তবে বাবুর্চি রানা কাজীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত না হওয়ায় তাঁর মরদেহ হস্তান্তর করা হয়নি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com