বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কিশোরগঞ্জে সড়কের পাশে পড়েছিল মুক্তিযোদ্ধার ছেলের লাশ হোসেনপুরে বিলুপ্তির পথে মাকাল ফল, নতুন প্রজন্মের কাছে অচেনা কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হোসেনপুরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নিকলীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড নিকলীতে নিখোঁজের একদিন পর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে খাল থেকে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩ তাড়াইলে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর বদলগাছীতে কলার পাতা কাটা নিয়ে সংঘর্ষে বড় ভাই নিহত, আটক ২

বিল বাড়লেও কেন কমছে না লোডশেডিং, ব্যাখ্যা পিডিবির

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে
বিল বাড়লেও কেন কমছে না লোডশেডিং, ব্যাখ্যা পিডিবির

দাম বাড়লেও গ্রাহক কেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না, সেই প্রশ্নে পিডিবি বলেছে, বাড়তি বিলের প্রভাব তাৎক্ষণিক দেখা যাবে না; অপেক্ষা করতে হবে বিল আদায়ের পর জ্বালানি কেনা পর্যন্ত।

সোমবার বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ, পিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এস এম জিয়া-উল-আজিম।

তারা জুন মাসের বাড়তি বিল, লোডশেডিং, গ্রাম-শহরে সরবরাহ বৈষম্য, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিলিং, প্রিপেইড মিটার, ক্যাপাসিটি চার্জ, বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সময় নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের কথা বলা হলেও গ্রাহক কেন সেই সেবা পাচ্ছেন না, এমন প্রশ্নে পিডিবির চেয়ারম্যান বলেন, জুন মাসের বিল জুলাইয়ে আদায় হবে; এর আর্থিক প্রভাব পাওয়া যাবে অগাস্ট থেকে।

তিনি বলেন, “উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা চলছে। শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কেন্দ্রগুলোর বিল পরিশোধ করতে হলে পরিস্থিতি ভিন্ন হত; কিন্তু পিডিবিকে আরও অনেক ধরনের দায় পরিশোধ করতে হয়।”

রেজাউল করিম বলেন, “বেশি অর্থ আদায় হলে জ্বালানি কেনা সহজ হবে এবং তখন সরবরাহে উন্নতি দেখা যেতে পারে।”

তবে বিদ্যুৎ খাত এখন খুব খারাপ অবস্থায় আছে, তা তিনি মনে করেন না।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১৭ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত।”

তিনি বলেন, “সর্বোচ্চ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ধরলেও ২০ শতাংশ রিজার্ভসহ এত বেশি সক্ষমতার প্রয়োজন ছিল না। অতিরিক্ত সক্ষমতার কারণে রাষ্ট্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ ও ভর্তুকির চাপ নিতে হচ্ছে।”

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আগের সময়ে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছে, সেগুলোতে রাষ্ট্রের স্বার্থ যথাযথভাবে সুরক্ষিত হয়নি। সেই চুক্তির দায় এখন বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, “বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে আলোচনায় চুক্তির ত্রুটিগুলো তুলে ধরা হচ্ছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ট্যারিফ সংশোধন করা হচ্ছে। গত মাসেও কয়েকটি ক্ষেত্রে সংশোধন হয়েছে বলে জানান তিনি।”

বিশেষ আইন বাতিল হলেও ‘পুরনো চুক্তি বহাল’

বিদ্যুৎ খাতের বিশেষ আইন বাতিলের পরও আগের চুক্তির দায় কেন বহাল থাকবে, এমন প্রশ্নে বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ বলেন, “বিশেষ আইন বাতিল হলেও ওই আইনের অধীনে আগে করা চুক্তিগুলো চলমান থাকবে। ভবিষ্যতে ওই বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে নতুন চুক্তি করা যাবে না।”

সচিবের ব্যাখ্যা হলো, বড় কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি হঠাৎ বাতিল করলে এক হাজার থেকে দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সিস্টেম থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। সেই বিদ্যুৎ প্রতিস্থাপনে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে।

তিনি বলেন, “রাতারাতি বিনিয়োগ এনে বড় সক্ষমতা প্রতিস্থাপনের সুযোগ নেই। এতে শিল্প, প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেই দায় দেশ নিতে পারবে কি না, সেটিও বিবেচনার বিষয়।”

বৃষ্টির মধ্যে চাহিদা ১৩ হাজার মেগাওয়াটের ঘরে নামলেও কেন লোডশেডিং থাকছে, সেই প্রশ্নও ওঠে ব্রিফিংয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে লোডশেডিং ৩ হাজার ৪৭০ মেগাওয়াটে ওঠার কথাও তোলেন সাংবাদিকরা।

জবাবে গাজীপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রিড সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন পিডিবির চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, “উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও গ্রিড সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছানো যাচ্ছে না। ফলে ওই এলাকায় তরল জ্বালানিভিত্তিক ইঞ্জিনচালিত কেন্দ্র চালিয়ে সরবরাহ সামাল দিতে হচ্ছে।”

তার মতে, এ ধরনের ইঞ্জিনচালিত কেন্দ্র টানা ২৪ ঘণ্টা চালানো যায় না। অপারেশনাল কারণে মাঝেমধ্যে সেগুলো বন্ধ রাখতে হয়।

পিডিবির চেয়ারম্যান বলেন, “গ্রিড সীমাবদ্ধতা দূর করতে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ কাজ করছে। সেপ্টেম্বর নাগাদ ওই অঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।”

 

ঢাকায় আলো, গ্রামে লোডশেডিং?

ব্রিফিংয়ে ২৮ জুনের লোডশেডিং নিয়ে একজন সাংবাদিক বলেন, “সেদিন সারাদেশে লোডশেডিং তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়ালেও ঢাকায় লোডশেডিং প্রায় ছিলই না। এতে গ্রাম ও শহরের বিদ্যুৎ সরবরাহে বৈষম্যের কথা বলেন তিনি।”

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সবকিছু ঢাকামুখী হওয়ায় ঢাকার বাস্তবতা ভিন্ন। তবে শহর ও গ্রামের মধ্যে বৈষম্য থাকুক, সরকার তা চায় না।

“ওই সময়ে দুটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি সমস্যা ছিল। জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতি দেওয়ার পর ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটা সামাল দেওয়া যায়।”

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com