বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন: ইসি সচিব স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী না করলে গণতন্ত্র টেকসই হয় না: মির্জা ফখরুল সৌদির বিরুদ্ধে হুতিদের নৌ-অবরোধের তীব্র নিন্দায় বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জে সড়কের পাশে পড়েছিল মুক্তিযোদ্ধার ছেলের লাশ হোসেনপুরে বিলুপ্তির পথে মাকাল ফল, নতুন প্রজন্মের কাছে অচেনা কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হোসেনপুরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নিকলীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড নিকলীতে নিখোঁজের একদিন পর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে খাল থেকে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে
খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ

টানা ভারী বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের একাধিক স্থানে পানি উঠে যাওয়ায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে এ সড়কে সরাসরি সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

গতকাল সোমবার থেকে শুরু হওয়া একটানা ভারী বৃষ্টিতে মহালছড়ি উপজেলার চব্বিশ মাইল, মাইসছড়ি ও কেরেঙ্গেনালা এলাকায় সড়ক হাঁটুপানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার লোকজন চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে হেঁটে পানি ডিঙিয়ে চলাচল করছেন বাসিন্দারা।

আজ সকাল সাড়ে দশটায় খাগড়াছড়ি–রাঙামাটি সড়কের মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, হাঁটু থেকে কোমরপানিতে সড়ক ডুবে গেছে। সেচের নালার স্লুইসগেট বন্ধ থাকায় বৃষ্টির পানি সরতে পারেনি। এ কারণে সড়ক ডুবে গেছে পানিতে। সড়কে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বন্যার পানি ডিঙিয়ে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে।

ওই সড়কে পানিতে আটকা পড়েন ব্যাংক কর্মকর্তা অশোক চাকমা। খাগড়াছড়ি থেকে জরুরি কাজে রাঙামাটি যাচ্ছিলেন তিনি। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় তিনি মাইসছড়ি এসে আটকা পড়েন। কোনো যানবাহন পেলে গন্তব্যে যাবেন বলে জানান।

একটানা বৃষ্টি হওয়ায় জেলার চেঙ্গী ও মাইনী নদীসহ বিভিন্ন খাল, ছড়ার পানি দ্রুত বাড়ছে। আজ দুপুর থেকে জেলা সদর, মহালছড়ি ও দীঘিনালার বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যার আশঙ্কা আরও বেড়েছে। দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূতি চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, আজ বেলা ১টা পর্যন্ত ১৮ ঘণ্টায় ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকিও বেড়েছে। তবে আজ দুপুর পর্যন্ত জেলার কোথাও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কাজ শুরু করেছেন। জেলা সদরের শালবন, মোহাম্মদপুর, সবুজবাগ ও কুমিল্লা টিলা এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

জেলা শহরের কলাবাগান, নান্সীবাজার, মোল্লাপাড়া, কৈবল্যপিঠ, আঠারো পরিবার, শালবন ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারী শত শত পরিবার এখন ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রশাসন এসব এলাকার বাসিন্দাদের পাহাড়ের পাদদেশ ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। শুষ্ক খাবার এবং পর্যাপ্ত সুপেয় পানি রাখা হয়েছে। তা ছাড়া বন্যা হওয়ার আশঙ্কা এমন এলাকাগুলোতে আশপাশের স্কুলগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে তৈরি রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com