বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
বরগুনায় নদীর তীরে ভেসে এল ৩২ ফুট লম্বা তিমির মৃতদেহ কোচিং বন্ধ, স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ; কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু, সভাপতিত্ব করছেন খলিলুর রহমান সরকারও আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, তাই অনুসন্ধান: দুদক সচিব হোসেনপুরে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নে সমবায় বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নওগাঁর পত্নীতলায় বাণিজ্য মেলায় লটারির ড্র না হওয়ায় ভাংচুর-লুটপাট কওমি মাদরাসায় মানসম্মত পাঠদান, তাড়াইলে শিক্ষকদের নিয়ে কর্মশালা কনসার্টে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার ডেঙ্গুতে এ বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড

কুমিল্লা সদর দক্ষিণের তিন নদীর মোহনা ভূমিদস্যুরা গিলতে গিলতে নিঃশেষ করে দিচ্ছে!

আব্দুল্লাহ আল মানছুর
  • আপডেট সময় সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪৬৩ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ২নং চৌয়ারা ইউনিয়নের টঙ্গীরপাড় এলাকার সুইচগেটে এসে মিলিত হয়েছে তিনটি নদী। ডাকাতিয়া, গুইঙ্গাঝুরি এবং সোনাইছড়ি- এই তিন নদীর মোহনায় ভূমিদস্যুরা নিজেদের রাজত্ব কায়েম করে গিলে ফেলছে নদী তিনটির মোহনার অববাহিকা।

সুইচ গেট নামে পরিচিত স্থানে তিন নদীর মোহনায় চলতি শুকনো মৌসুমে প্রতিদিন ৭টি এক্সেলেটর (ভেকু) দিয়ে মাটি কেটে দূর দূরান্তে পাচার করা হচ্ছে হাইড্রোলিক ট্রাকের মাধ্যমে। যার ফলে নদীর অস্তিত্ব প্রায় ধীরে ধীরে বিলীন হচ্ছে। স্থানীয় রাজনীবিদ এবং প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে নদী তিনটির মাটি খেয়ে সাবাড় করছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে- চৌয়ারা ইউনিয়নের ভূমিদস্যু চক্রের সদস্য যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম, ইউপি মেম্বার আবদুল মজিদ, মনির হোসেন, পিপুলিয়া এলাকার যুবলীগ নেতা শাহ আলম, শাহজাহান, আওয়ামীলীগ নেতা আবুল হোসেনসহ অন্যান্য প্রভাবশালী নেতারা মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন মাটি পাচারের বিষয়টি অবগত থেকেও প্রভাবশালী মহলের তীব্র চাপের মুখে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার থাকছে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান- কুমিল্লা অঞ্চলের নদীগুলোর ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিকভাবে গঠন-গড়ন বালুমাটির এবং সেগুলো অত্যন্ত নরম, শিথিল। যার কারনে এ অঞ্চলের মাটির চাহিদা রয়েছে বেশ।

নদী কাটার বিরুদ্ধে সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও প্রতিদিনই অবাধে মাটি বিক্রি’র সিন্ডিকেট সদস্যরা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবাধে মাটি কেটে বিক্রি করছে। ফলে হারিযে যাচ্ছে তিনটি নদীর ইতিহাস এবং ঐতিহ্য। প্রভাবশালীরা পেশিশক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রায় ২মাস ধরে অবৈধভাবে এক্সেলেটার (ভেকু) দ্বারা মাটি ও বালু উত্তোলন করছে। অজ্ঞাত কারণে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুসংখ্যক অসাধু মাটি ও বালু ব্যবসায়ী জমিতে অন্তত ১০টি ভেকু মেশিন দিয়ে অন্তত কয়েকশ ফুট মাটি উত্তোলন করে বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন কোম্পানিতে সরবরাহ করছেন। এতে নদী পাড়ের জমিগুলো ক্রমে ধসে পড়ে বিলীন হচ্ছে এবং এলাকার নিরীহ চাষীরা তাদের চাষাবাদযোগ্য জমি হারাচ্ছেন। এভাবে মাটি কাটার মাধ্যমে জমিগুলো গভীর জলাশয়ে পরিণত হয়ে কৃষিতে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান বলেন- প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করে নদীর মাটি কাটার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে নদী হতে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার বিষয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আবুল ফজর মীরের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান- নদী হতে মাটি কাটার বিষয়টি সম্পূনই অবৈধ। অভিযোগটির বিষয়ে পূর্বে কেউ অবগত করেননি, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হইবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com