মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের কালেঙ্গায় এক দিনে দুইটি বাল্য বিয়ে বন্ধ করলো পুলিশ। পুলিশ আসার খবরে একটি বিবাহ অনুষ্টান হতে বর পালিয়ে যায় এবং অপরটিতে বর যাত্রীরা মধ্য রাস্তা হতে চলে যায়। দ্ইুজনই কালেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। পৃথক ঘটনাটি শুক্রবার ২৪ জানুয়ারী রহিমপুর ইউনিয়নের কালেঙ্গা গ্রামে ঘটে।
কমলগঞ্জ থানার এএসআই ও সংশ্লিস্ট ইউনিয়ন বিট অফিসার আব্দুল হামিদ ও তোফায়েল আহমেদ জানান, শুক্রবার উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নে কালেঙ্গা গ্রামে খলিল মিয়ার মেয়ে কালেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী রিতা বেগম (১৪) ও একই গ্রামের আলমগীর মিয়ার মেয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রী আখলিমা বেগম (১৫) একই দিনে বিয়ের আয়োজন করে। বাল্য বিয়ের এই খবরে এলাকাবাসীর মাধ্যমে কমলগঞ্জ থানায় আসলে ওসি আরিফুর রহমানের নির্দেশে দুই বিয়ে বাড়িতে পুলিশ নিয়ে হাজির হন। তখন বিয়ে বাড়িতে বরপক্ষ ছিল না। পুলিশ আসার খবর পেয়েই উভয় বাড়ি হতে বর যাত্রী দ্রুত সরে পড়েন। পন্ড হয় বাল্য বিয়ে। রক্ষা পায় দুই স্কুল ছাত্রী। পূর্ন বয়স না হলে বিয়ে দেবেন না মর্মে অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর দেন অভিভাবকরা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমান বাল্য বিয়ে বন্দের বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে এলাকাবাসী জানান, কালেঙ্গা গ্রামে বিগত সমেয় প্রায় ১৫টি বাল্য বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো: আরিফুর রহমান বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে। আগামীতে তা অব্যাহত থাকবে।