দীর্ঘদিন অসুস্থ্য হয়ে ঢাকার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলো জাহেদা বেগম (৬৫) শুক্রবার দুপুরে ঢাকা থেকে বাড়ীতে আসার কথা ছিলো জাহেদা বেগমের। অসুস্থ্য মাকে এগিয়ে নিতে বড় ভাবি রুবি আক্তার (৩৫)কে নিয়ে অটোরিক্সা যোগে বাড়ীর অদূরে মহাসড়কের পাশে আসে সুজন।
বাস থেকে নামার পর অসুস্থ্য মাকে নিয়ে অটোরিক্সা যোগে বাড়ীর উদ্যোশে রওনা হয়। মহাসড়ক অতিক্রম কালে ঢাকাগামী এনা পরিবহনের (ঢাকা মেট্টো-ব ১৪৯৩৬২) একটি বাস অটোরিক্সাটিকে চাপা দেয়। অটোরিক্সাটিকে চাপা দিয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পরে উল্টে যায় বাসটি, এতে ঘটনাস্থলে নিহত হয় সুজন (২০)। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়েকর কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কাবিলা বাংলা রেস্তোরার সামনে এ দূর্ঘটনা ঘটে। দূর্ঘটনায় ১৫ বাসযাত্রীসহ অটোতে থাকা চালক, নিহত সুজনের মা, বড় ভাবি আহত হয়। নিহত সুজন বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের রুপদ্দি গ্রামের মৃত রহমত আলীর পুত্র। সে কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত ছিল। প্রত্যক্ষদীর্শীরা জানান, অটোরিক্সাটি মহাসড়ক পারাপার কালে দ্রুতগামী এনা বাসটি চাপা দিয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যু হয়। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় কাবিলা ইস্টান মেডিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়।
ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। একজন নিহতের খবর পেয়েছি, তবে পুলিশ পৌছার পূর্বে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায় স্থানীয়রা। দূর্ঘটনা কবলিত বাসটিকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে।