কিশোরগঞ্জের নিকলীতে শনিবার (১৮ই এপ্রিল) দুপুরে শ্যালকের ধারোলো অস্ত্র আঘাতে আপন বোনের জামাইকে ইসহাককে(৫৩) কুপিয়ে খুন করেছে আহাম্মদ (৬২) । নিহত ইসহাক (৫৩) পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ও একই ইউনিয়নের সিঙ্গারপাড় গ্রামের আমির হোসেনের পুত্র। শ্যালক আহাম্মদ উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের আঠারবাড়িয়া গ্রামের মৃত কাছুম আলীর পুত্র।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের আঠারবাড়িয়া ও সিঙ্গারপাড়সহ আশপাশের গ্রামগুলির মধ্যে প্রভাব প্রতিপত্তি নিয়ে এলাকা ভিত্তিক দ্বন্দ চলমান। দুই দলের মধ্যে একাধিক মামলাও রয়েছে। নিহত ইসহাক ও আহাম্মদ পরষ্পর প্রতিপক্ষের লোক। নিজেদের মধ্যেও পারিবারিক কলহ চলছিল। শনিবার সকালে ইসহাক গরুর জন্যে ভুষি ও পরিবারের জন্য চাল কিনতে পার্শ্ববর্তী বাজিতপুর উপজেলার সরারচর বাজারে যান। তিনি ভাড়া নেন মালামাল নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। বাজিতপুর উপজেলার ইলচিয়া ইউনিয়নের জ্ঞানপুর নামক স্থানে পৌঁছামাত্র সেখানে আগে থেকে উৎপেতে থাকা আহাম্মদ আলী ও সঙ্গিরা ইসহাকের অটো টেম্পুটি আটক করেন। পড়ে টেম্পু থেকে ইসহাককে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্য়ুপরি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে আহাম্মদ ও তার সঙ্গিরা। করোনা ভাইরাসের কারণে রাস্তা জনশূণ্য থাকায় ইসহাককে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
খবর পেয়ে বাজিতপুর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বাজিতপুর থানায় নিয়ে যান। বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান পাটাহারী বলেন, ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান চলছে।