কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলাতে এক কিশোরীকে (১৬) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনায় নিকলী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে ওই কিশোরীর মা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ মঙ্গলবার রাতেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ওই কিশোরীর বাড়ি কিশোরগঞ্জে নিকলী উপজেলায়। গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলেন নিকলী জারুইতলা ইউনিয়নের রোদ্দার পুড্ডা গ্রামের মোঃ রায়হান (১৫), একই গ্রামের খায়রুল মিয়া (১৪) ও মোঃ হাসান (১৬)। অন্য দুই আসামি পলাতক। তারা হলো রনি (১৬) ও আসামিদের সহায়য়তা করার জন্য সাদিয়া আক্তার (১৬)।
মামলার এজাহার ও থানা সূত্রে জানা যায়, নিকলী উপজেলায় গত সোমবার রাতে (১জুন) রাতে তার নিজ ঘরে একা ঘুমিয়ে ছিল, এ সময় পাশের বাড়ির সাদিয়া আক্তার এসে বলে আম্মা ও আব্বা বেড়েতে গেছে তুমি আমার সাথে রাতে ঘুমাতে হবে। প্রথমে মেয়েটির মা-বাবা না বলে সাদিয়াকে তাড়িয়ে দেয়। পড়ে সাদিয়া আবার এসে বলার পর মেয়েটির মা-বাবা ঘুমাতে যেথে বলে মা-বাবা ঘরে ঘুমিয়ে থাকে। রাত প্রায় ৮ টার দিকে সাদিয়া ওই মেয়েটিকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসার পরই আসামিরা কিশোরীকে মুখে চাপা দিয়ে পাজাকুলে করে বাড়ির পাশে একটি পাট ক্ষেতে নিয়ে যান। সেখানে কিশোরীকে পালাক্রমে চারজনই ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে কিশোরীরর ডাক-চিৎকারে বাবা-মা ও এলাকার লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। বিষয়টি তার মা-বাবা সোমবারে বিকেলে এসে নিকলী থানা পুলিশকে জানান।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাসছুল আলম সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ খবর পাওয়ার পর তিনি নিজেসহ সঙ্গীয় অফিসারদের নিয়ে তাৎক্ষণিক জারুইতলা ইউনিয়নের রোদ্দার পুড্ডা গ্রামের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিন স্থান থেকে তিনজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। ওই কিশোরীকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে বুধবার সকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ও আদালতে ২২ ধারার জন্য পাঠানো হয়ে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকেই বুধবার আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।