মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা আবার গ্রেপ্তার ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন ভাষা ও স্বাধীনতা আন্দোলনের অবমাননা: ছাত্রদল ট্রলি ব্যাগে নারীর লাশ: প্রেমের সম্পর্কের পর হত্যা, গ্রেপ্তার প্রেমিকসহ তিন পাচার করা সম্পদ থেকে কর আদায়ে সরকারের নতুন উদ্যোগ নিরাপত্তা শঙ্কায় এনবিআরে প্রবেশে কড়াকড়ি শিল্পে কাল থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহে উন্নতির আশ্বাস পেলেন ব্যবসায়ী নেতারা সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ভোট ১২ নভেম্বর শিল্পে কাল থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহে উন্নতির আশ্বাস পেলেন ব্যবসায়ী নেতারা ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৩৩ জন স্বাস্থ্য খাতে ‘রেফারেল ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জুবাইদার

‘যতটুকু জেনেছেন, ফাহিম তারচেয়েও বড়’

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০
  • ৪০৬ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে আততায়ীর হাতে নিহত তরুণ প্রযুক্তি ব্যবসায়ী ফাহিম সালেহর শোকে স্তব্ধ পুরো পরিবার। এখন তাদের একটাই চাওয়া, এই হত্যাকাণ্ডের যেন বিচার হয়, অপরাধীর সাজা হয়।

শুক্রবার ফাহিম হত্যার দায়ে তার ব্যক্তিগত সহকারীকে গ্রেপ্তারের পর নিউ ইয়র্ক পুলিশ জানিয়েছে, ফাহিমের কাছ থেকে হাজার হাজার ডলার চুরি করেছিলেন তার ব্যক্তিগত সহকারী টাইরেস। আর সেটা জেনে ফেলাতেই ফাহিমকে হত্যা করেন তিনি। অথচ ফাহিম চুরির ঘটনা জেনেও টেরেসের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন নি। বরং টাকা ফেরত দিতে তাকে সময় বেঁধে দিয়েছিলেন।

 

পুলিশের ভাষ্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, ব্যক্তিগত সহকারী অপরাধ করলেও ফাহিম তাকে শাস্তি না দিয়ে নিজেকে শুধরে নেবার সুযোগ দিয়েছিলেন। অথচ তার হাতেই খুন হতে হলো ফাহিমকে।

 

বুধবার এক বিবৃতিতে ফাহিমের পরিবার বলে, পত্রপত্রিকায় আপনারা যতটুকু পড়ছেন, ফাহিম ছিল তারচেয়েও বড় কিছু। তার অসাধারণ মেধা এবং সৃষ্টিশীল মন নিয়ে আশপাশের সব মানুষকে নিজের কাজের সাথে যুক্ত করেছিলেন তিনি। নিশ্চিত করেছেন নিজের এই অগ্রযাত্রায় তার সাথে থাকা মানুষগুলোর কেউ যেন পিছে পড়ে না থাকে।

 

সৌদি আরবে এক বাংলাদেশি পরিবারে ফাহিমের জন্ম। পরে পুরো পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসে। নিউ ইয়র্কের হাডসন নদীর তীরে ছোট্ট শহর পাওকিপসিতে তাদের বসবাস।
বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র‍্যাজুয়েশন করেন ফাহিম। ২০০৯ সালে প্র্যাঙ্ক ডায়াল নামের একটি মজার আ্যপ তৈরি করেন ফাহিম। এর মাধ্যমে আগে থেকে রেকর্ড করে রাখা বার্তা পরিচয় গোপন করে অন্যদের পাঠানো যেত। অনেকটা শখের বশেই তৈরি করা এই আ্যপ থেকেই প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা গড়ে তোলেন ফাহিম।

 

এরপর মাতৃভূমি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করেন মোটর সাইকেল রাইড শেয়ারিং আ্যপ পাঠাও। অত্যন্ত সফল এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে ছেড়ে যান ফাহিম, উদ্দেশ্য নাইজেরিয়াতে একই ধরনের একটি ব্যবসা। সেখানে চালু করেন গোকাডা নামের নতুন একটি আ্যপ। মৃত্যুর আগে এই প্রতিষ্ঠানেরই প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করছিলেন ফাহিম। তবে সম্প্রতি সেখানে ব্যবসা ভাল যাচ্ছিল না। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে আ্যপটি নিষিদ্ধ করে নাইজেরিয়া সরকার। ফলে বেশ কিছু কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হয় গোকাডা। প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচাতে রাইড শেয়ারিং এর বদলে খাবার এবং অন্যান্য পণ্য সামগ্রী ডেলিভারির দিকে মনোযোগী হওয়ার নির্দেশ দেন ফাহিম।

 

এক বিবৃতিতে ফাহিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে গোকাডার পক্ষ থেকে বলা হয়, নাইজেরিয়া এবং দেশটির তরুণদের জন্য ফাহিমের আবেগ পরিমাপের অযোগ্য। তিনি বিশ্বাস করতেন নাইজেরিয়ার তরুণ প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী, সঠিক সুযোগ পেলে তাদের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।

ম্যানহাটনের ভেনচার ক্যাপিটাল ফান্ড, আ্যডভেঞ্চার ক্যাপিটালেরও প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার ছিলেন ফাহিম। কলোম্বিয়া ও বাংলাদেশে রাইড শেয়ারিং স্টার্ট আপে বিনিয়োগ রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটির।

 

বন্ধুদের কাছে বাংলাদেশি ইলন মাস্ক বলে পরিচিত ফাহিম ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত হাসিখুশি ছিলেন। শখের বশে ইউকেলে বাজাতেন। মাত্র কয়েক বছর আগে প্রায় আড়াই মিলিয়ন ডলার দিয়ে ম্যানহাটনে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন ফাহিম। মাত্র ৩৩ বছর বয়সে এই আ্যপার্টমেন্টেই নৃশংসভাবে খুন হন তিনি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com