শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
মৃত্যুর আগেই নিজের ‘চল্লিশা’, ৫ হাজার মানুষের ভোজ করালেন হোসেনপুরের রফিকুল নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি, অস্ত্রসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার ইমরান খানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে তোলপাড় ইমরান খানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে তোলপাড় আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় সব তথ্যই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে: আরপিএমপি কমিশনার নেপালের বন্যায় আনুমানিক ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত: রেড ক্রস সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ জনের জানাজা একসঙ্গে কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার এড়াতে বাসার ছাদ থেকে লাফিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আহত

নিকলীতে ১৩ বছর ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ

দিলীপ কুমার সাহা, নিকলি, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে
নিকলীতে ১৩ বছর ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট থাকায় প্রায় তের বছর ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে করে হাওর বেষ্টিত নিকলী উপজেলার প্রসূতিরা কম খরচে সরকারি চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

 

উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের কার্যালয় সূত্র জানায়, অবেদনবিদ ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রসূতি শল্যচিকিৎসক ডাঃ সেলিনা হক ২০০৮ সালে ডিসেম্বর মাসে দুই জনই বদলী হয়ে চলে যাওয়ার পর থেকেই এ পদ শূন্য । তখন থেকেই সেখানে প্রসূতি দের অস্ত্রোপচার বন্ধ। ইউ,সি নতুন ভবনটি চালু হয় ২০০৮ সালে একই বছর ১০ আগষ্ট থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত ৫টি প্রসূতি অস্ত্রোপচার করা হয়। এর পর থেকে অস্ত্রোপচার বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে লাখ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি অযত্নে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। উপজেলা কারপাশা ইউনিয়নের শহরমুল গ্রামের ইন্নছ মিয়া জানান, গত বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর ) সন্ধ্যায় আমার স্ত্রীর সিজারের জন্য নিকলী স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে আসি। ডাক্তার না থাকায় সিজার করাতে পারি নাই। পরে কিশোরগঞ্জ প্রাইভেট হাসপাতাল মেডিল্যাবে প্রায় ২০ হাজার খরচ করে সিজার করা হয়েছে। আমার টাকা ও সময় দুইটায় অপচয় হয়েছে। আসা যাওয়ার ঝুঁকি এবং র্দুভোগ ও ছিল অনেক।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান, প্রসূতি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এ উপজেলা থেকে প্রতি বছর প্রায় পাঁচশতাধিক রোগীকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল, ময়মসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়। সিজার করার জন্য। নিকলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) আসসাদিন জামান জানান, ১৩ বছর ধরে এখানে ডাক্তারের অভাবে প্রসুতি অস্ত্রোপচার হয়না, এটা দুঃখজনক।

উপজেলা হাসপাতালের আর, এমও সালেহ উদ্দিন আকবর বলেন, অবেদনবিধ এবং প্রসূতি সার্জন সংকট ও যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায়, শূন্য পদে লোক চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কয়েক বার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এ দুই পদে চিকিৎসক, লোকবল ও যন্ত্রপাতি সচল হলেই অস্ত্রোপচার শুরু হবে। এ ছাড়াও প্রতিটি হাসপাতালে একটি ব্লাড ব্যাংক থাকার দরকার।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com