বুধবার (১৩ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রায়েরবাজারে ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, নিহত সোহানা আত্মহত্যা করেছেন, তবে তদন্তের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান বলেন, রায়েরবাজারের শেরে বাংলা নগর রোডের ওই বাসায় নন্দিতা নামের এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতেন সোহানা। বিকেলে নন্দিতা বাসায় এসে দরজা নক করে তুলির সাড়া পাচ্ছিল না। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে কেয়ারটেকারসহ আশপাশের বাসিন্দারা এসে দরজা ভেঙে দেখেন নিজ কক্ষের ভেতর তুলি ঝুলে আছেন। এরপর হাজারীবাগ থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহটি উদ্ধার করে। হাজারীবাগ থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। সোহানা তুলির গ্রামের বাড়ি যশোর সদরের বটতলা এলাকায়। তিনি রায়েরবাজারের শেরে বাংলা নগর রোডের বাসায় ২০১৮ সাল থেকে ভাড়ায় থাকতেন।
জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন সোহানা তুলি। তিনি দৈনিক আমাদের সময়, দৈনিক কালের কণ্ঠে কাজ করেছেন।
সর্বশেষ তিনি ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলা ট্রিবিউনে কর্মরত ছিলেন। এরপর কিছু দিন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।
সম্প্রতি একটি অনলাইন শপ খুলে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন তুলি।
পরিবারের দাবি, হয়তো কেউ তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখতে পারে। কারণ তুলির মরদেহ হাঁটুগেড়ে ঝুলেছিল।